বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

আজ ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস

উৎপল মোহন্ত, বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ
বাঙালি জাতির ইতিহাস দেখতে গেলে অনেক কষ্টে অর্জিত এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বিশ্বের মানচিত্রে জাতির স্বাধীনতার লাল সবুজের পতাকা বাংলার আকাশে উড়তে অনেক আন্দোলন হয়েছে। ইতিহাস তার সাক্ষী।
বাঙালি জাতির ইতিহাসের অন্যতম একটি দিন ২৪ শে জানুয়ারি, “ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস”। ১৯৬৯ সালের ২৪ শে জানুয়ারি এদেশের ছাত্র জনতা একসাথে বুক পেতে  দিয়েছিল। মুক্তিকামী নিপীড়িত বাংলার জনগণের পক্ষে জাতির মুক্তির ৬ দফা এবং ছাত্র সমাজের ১০ দফা কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো গণঅভ্যুত্থান।
তৎকালীন সরকারের নিপীড়ন জুলুম এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা প্রতিবাদের কর্মসূচির মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান নিহত হলে সংগ্রামী বাংলার জনগণ গণঅভ্যুত্থানের রূপ নেয়।
আজ ২৪ শে জানুয়ারি মতিউর নামের নবম শ্রেণীর ছাত্র এবং রুপম নামের এক ছাত্র ছুরিকাঘাতে  নিহত হন। ঠিক তখনই বাংলার রূপ পাল্টে যায় ঢাকার আকাশ বাতাস যেন স্তব্ধ হয়ে যায়। তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় ঢাকার পরিস্থিতি। প্রতিবাদে সংগ্রামী জনতা সচিবালয়ের দেয়াল ভেঙে আগুন ধরিয়ে দেয়। আইয়ুব সরকারের নেতাকর্মী ও দালাল চক্রের সকল পাকিস্তানের আস্তানায় এবং সকল কর্মকাণ্ডে আগুন জ্বেলে দেই, আর সেই গণঅভ্যুত্থানের সাক্ষী বাংলার জনগণ আইয়ুব গেট এর নাম পরিবর্তন করে আসাদ গেট নামকরণ করেন।
আসলে বাংলার যে কোন ইতিহাস ঐ স্বাধীন বাংলাদেশ গড়তে সেই ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাঙালি জাতির স্বাধীনতার জন্য একের পর এক কষ্টেঅর্জিত অনেক দিন মনে করে দেয়।
Alert! This website content is protected!