বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

আত্রাইয়ে দীর্ঘ ৭ বছরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ফুলবাড়ি  বাঁধ সংস্কার না করায় এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগ

আব্দুল মজিদ মল্লিক,আত্রাই (নওগাঁ) থেকে : নওগাঁর আত্রাইয়ে দীর্ঘ ৭ বছরেও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ সংস্কার না করায় এলাকার হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আত্রাই উপজেলার ছোট যমুনা নদীর ফুলবাড়ি নামক স্থানে গত প্রায় ৭ বছর আগে বন্যায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যায়। এ বাঁধ ভাঙনের ফলে প্রতি বছর বর্সা মৌসুমে ফুলবাড়ি, মির্জাপুর, নান্দাইবাড়ি, কৃষ্ণপুরসহ কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হন। এ ছাড়াও রাণীনগরের নান্দাইবাড়ি থেকে কৃষ্ণপুর হয়ে আত্রাইয়ের উদনপৈ পর্যন্ত বেরিবঁাধটি অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগেই বাঁধটি সংস্কারের উদ্যোগ না থাকায় এলাকার হাজার হাজার মানুষ আতঙ্কে বসবাস করছেন।
জানা যায়, ২০১৪ সালে উপজেলার ফুলবাড়ি নামক স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে ওই সময় বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। সে সময় থেকে অদ্যবাধি এ বাঁধ সংস্কার না করায় প্রতি বছরই বন্যা কবলিত হয়ে পড়ে উপজেলার ফুলবাড়ি, উদনপৈ, মির্জাপুরসহ কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। সেই সাথে তাদের কৃষি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এদিকে এ বাঁধ সংস্কার না করায় গত বন্যা মৌসুমে আত্রাই-নওগাঁ পাকা সড়কও হুমকির সম্মুখিন হয়ে পড়ে। ফলে এ সড়কের বিভিন্ন  স্থানে ফটল দেখা দিলে নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন বালুর বস্তা ও বাঁশের বেড়া দিয়ে কোনমতে সড়কটি রক্ষা করেন। এদিকে ফুলবাড়ি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভাঙন সংস্কার না করায় বছরের পর বছর ধরে ওই এলাকার কৃষকরা বর্সাকালীন আবাদ করতে পারছে না। ফলে তারা প্রতি বছর ব্যাপক হারে লোকসানের শিকার হচ্ছে।
উদনপৈ গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ফুলবাড়ি বেরি বাঁধের ভাঙন মেরামত না করায় বছরের পর বছর ধরে আমরা বর্ষাকালীন আবাদ করতে পারছি না। ফুলবাড়ি গ্রামের গৃহবধূ মালেকা বিবি বলেন, এ ভাঙন মেরামত না করায় বর্ষা মৌসুম শুরু হতে না হতেই আমরা ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ার আতঙ্কে থাকি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, বিষয়টি আমি একাধিকবার উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভায় উপস্থাপন করেছি। এছাড়াও উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে মৌখিক ও লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তারপরও এ ভাঙন সংস্কারে কর্তৃপক্ষের কোন আগ্রহ নেই। অথচ এটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগেই ভেঙে যাওয়া বেরি বাঁধটি সংস্কার করা বিশেষ প্রয়োজন

Alert! This website content is protected!