বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

আত্রাইয়ে বেইলি ব্রিজ দৈন্যদশায় : মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের

আব্দুল মজিদ মল্লিক, আত্রাই (নওগাঁ) থেকেঃ নওগাঁর আত্রাই নদীর উপর একমাত্র বেইলি ব্রিজ।প্রতিদিন এ ব্রিজ দিয়ে হাজার হাজার লোকের পাড়া পাড়। এ একমাত্র ব্রিজ স্টিলের পাটাতনে জং ধরে বিভিন্ন স্থানে ফুটো হয়ে দিন দিন চলাচলে ঝুঁকি বেড়েই চলেছে। কোনো এক সচেতন ব্যক্তি পথচারীদের সতর্ক করতে সেই ফুটোতে কাঠ রেখে দিয়েছেন। তার পরও সেতু পারাপারে আজ সকালে অসাবধানতা বসত মটরসাইকেল উঠে সেই স্থানে ফাঁকা হয়ে গেছে।

এছাড়া ব্রিজের বেশিরভাগ পাটাতন নরবরে হয়ে গেছে। এটি পাড়াপাড়ে বুক কাঁপে পথচারীদের, এই বুঝি সেতু ভেঙে পড়ে যাবে। সতর্কভাবে যানবাহন এবং লোকজন কোনোমতে সেতু পারাপার হন। এটি আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের সঙ্গে নদীর দক্ষিন পারের সংযোগকারী একমাত্র বেইলি ব্রিজ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও জানবাহন চলাচলের এই বেইলি ব্রিজটি দিনের পর দিন এমন দৈন্যদশায় থাকলেও এটি মেরামতে কোনো উদ্যোগই নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ১৯৯৫ সালে তৎকালীন সরকার রেলওয়ের পুরোনো পিলারের উপর এ ব্রিজটি নির্মাণ করেন। ব্রিজ নির্মাণের পর হতে নদীর উভয় পার্শ্বের মধ্যে সেতুবন্ধন ঘটায় ব্যবসা-বাণিজ্যসহ যোগাযোগ ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে।

তারপর হতে আত্রাই নদীর উপর দিয়ে পার্শ্ববর্তী নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া এবং রাজশাহী জেলার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার মিলবন্ধন হয়। সংস্কারের অভাবে ব্রিজটির বেশিভাগ স্থানের স্টিলের পাটাতনের লোহায় জং ধরে জোড়ার মুখ ফাঁকা অবস্থায় জরাজীর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। মাঝে মাঝে পাটাতন ফুটো হয়ে থাকায় সেই ফুটোতে পড়ে কেউ যেন আহত না হন সে জন্য কোনো সচেতন ব্যক্তি কাঠ রেখেছিলেন। এ সেতু পারাপারে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন যানবাহন এবং এলাকাবাসী।

ভোঁপাড়া গ্রামের আকলিমা খানম নামের এক পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিনিয়ত এ ব্রিজ দিয়ে হাজার হাজার যানবাহন এবং মানুষ যাতায়াত করেন। আর এই ব্রিজে উঠে ভয়ে থাকতে হয় কখন পা গর্তে পড়ে যায়।

পথচারী আরমান হোসেন বলেন, এই ব্রিজের পাটাতন অনেক দিন থেকেই ভাঙা থাকায় যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই হোঁচট খেতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে এটি বেহাল হলেও কেউ তা মেরামত করছে না। আর রাতের বেলায় ব্রিজে কোনো বাতি না থাকায় সন্ধ্যার পরই ভূতুড়ে অবস্থা বিরাজ করে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছানাউল ইসলাম বলেন, মেজারমেন্ট করা শেষ,তবে দ্রুত সময়ে মেরামত হয়ে যাবে। এছাড়া পার্শ্বে স্থায়ী ব্রিজ দিয়ে চলাচল শুরু হলে আর সমস্যা থাকবে না।

Alert! This website content is protected!