বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

আমতলী সরকারি কলেজে অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রতিবাদে ছাত্র-ছাত্রীর মানববন্ধন 

এইচ.এম. রাসেল
বরগুনা জেলা প্রতিনিধি
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অ্যাসেসমেন্ট নামে টাকা আদায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে আমতলী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।
আজ সোমবার দুপুরে কলেজের প্রধান ফটকে সামনে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তারা। এতে তোপের মুখে পড়ে কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ মজিবুর রহমান পরবর্তীতে তিনি পরীক্ষা স্থাগিত করেন।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীনা জানান, একাদ্বশ, দ্বাদশ ও স্নাতক শ্রেনীতে দুই হাজার সাত’শ শিক্ষার্থী রয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর অ্যাসাইনমেন্টের নামে কলেজ অধ্যক্ষ পরীক্ষা শুরু করেন। ওই পরীক্ষা গত ২৮ অক্টোবর শেষ হয়। ওই সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এক হাজার দুই’শ ষাট টাকা আদায় করেন। অভিযোগ রয়েছে ওই সময়ে কলেজের অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা টাকা দিতে অপরগতা প্রকাশ করলেও কলেজ অধ্যক্ষ তাদের অপরগতা আমলে নেয়নি। উল্টো পরীক্ষায় ফি না দিলে পরবর্তি শ্রেনীতে উত্তীর্ণের অনুমতি দিবে না বলে হুমকি দেয়। নিরুপায় হয়ে শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের চাহিদা মত টাকা দিয়ে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। ওই পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক মাসের মাথায় আবারো আগামী ২৯ নভেম্বর অ্যাসাইনমেন্ট পরীক্ষা প্রস্তুতি নেন। এই পরীক্ষায় ফি. বেতনসহ বিভিন্ন ফি বাবদ এক হাজার দুই’শ ষাট টাকা ধার্য্য করেন। পরিপত্রে উল্লেখ আছে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অ্যাসাইনমেন্টের নামে অর্থ আদায় করতে পারবে না। অর্থ আদায় করলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। কিন্তু মন্ত্রনালয়ের এ পরিপত্র আমতলী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের কাছে তেমন কিছুই না। তিনি উল্টো ওই পরিপত্রের বিরুদ্ধে ব্যঙ্গবিদ্রুপ করছেন। তিনি তার ইচ্ছা মাফিক আইন করে কলেজের শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এ ঘটনা তদন্তপূর্বক দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামানের বরাবরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ করেন।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য উপজেলা কৃষি অফিসার সিএম রেজাউল করিমকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন,তদন্ত প্রতিবেদন পেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আমতলী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, পরীক্ষা আপাদত বন্ধ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, পরীক্ষার ফি ও শিক্ষাথর্ীদের কাছ থেকে বেতন ছাড়া অন্য কোন অর্থ আদায় করা হচ্ছে না। যারা বেতন দেয়নি তাদের কাছ থেকে শুধু মাত্র বেতন নেয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা সমুদয় টাকা কলেজের ব্যাংক হিসেবে জমা হচ্ছে।
Alert! This website content is protected!