বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ তদন্তে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদে দুদকের অভিযান

সমীরণ চাকমা, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ- উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ তদন্তে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদে দুদকের অভিযান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোসহ বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়ে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ তদন্তে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদে অভিযান পরিচালনা করেছে দূর্নীতি দমন কমিশন দুদক। সোমবার বেলা পৌনে বারোটা থেকে পৌনে এক ঘন্টাব্যাপী সময় নিয়ে জেলা পরিষদে এই অভিযান পরিচালনা করেন দুদক রাঙ্গামাটিস্থ সমন্বিত কার্যালয়ের দু’জন সহকারি পরিচালক। এসময় নিজ কার্যালয়ের পাশের কনফারেন্স রুমে দুদক কর্মকর্তাদের সাথে দেখা করে কথা বলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা। এসময় গণমাধ্যমের সাথে কোন পক্ষই কোনো ধরনের কথা বলেননি। সোমবার (২৩নভেম্বর) দুদকের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ জেলার বরকল, বাঘাইছড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক বছরে বাস্তবায়ন করা ও বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলো নিয়ে নানা ধরনের অনিয়ম ও দূর্র্নীতির অভিযোগ উঠে। এসব নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সংবাদও প্রকাশ হয়। বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক এর প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগ করা হয়। বিষয়টি আমলে নিয়ে উক্ত অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্তে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদে অভিযান পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে রাঙ্গামাটিস্থ দুদক সমন্বিত কার্যালয়ে অভিযান চালানোর নির্দেশনা দিয়ে পত্র প্রদান করা হয়। সেই পত্রের আলোকেই সোমবার বেলা পৌনে বারোটার সময় দুদকের সহকারি পরিচালক জিএম আহসানুল কবির ও সহকারি পরিচালক আবুল বাশার এর নেতৃত্বে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে সংস্থাটির দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছেন। সূত্র জানিয়েছে, অভিযানের শুরুতে দুদক কর্মকর্তাগণ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এর কার্যালয়ে প্রবেশ করতে চাইলে সেখানে মিটিং চলছে জানিয়ে পাশের কনফারেন্সরুমে অপেক্ষার অনুরোধ জানানো হয়। বিশ মিনিট পরে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা নিজে সেই রুমে এসে দুদকের টিমের সাথে কথা বলেন। এসময় তার কাছে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো এবং বাস্তবায়ন হওয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অর্থ বরাদ্দ, প্রাক্কলন, বিল পরিশোধসহ বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক তদন্ত প্রতিবেদন এর কপি চাওয়া হয়। এসময় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জানান, তার অফিসের প্রধান মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা অসুস্থ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী সাইট পরিদর্শনে গিয়েছেন তারা আসলে আগামী দুয়েকদিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি দুদকের কাছে পাঠানো হবে বলে আশস্থ করেছেন।

Alert! This website content is protected!