বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

কিছু মানুষ ধর্মের অপব্যাখ্যা করে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে রাজনীতি করছে-ফেনী জেলা প্রশাসক

মোঃ ওমর ফারুক, ফেনী প্রতিনিধিঃ-
কিছু মানুষ ধর্মের অপব্যাখ্যা করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নিয়ে রাজনীতিতে লিপ্ত হয়েছেন বলে জানান ফেনী জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান। ১২ ডিসেম্বর শনিবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশের সভাপতি ও প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন- যার জন্ম না হলে এ দেশ স্বাধীন হতোনা, আমরা এখানে বসে কথা বলতে পারতাম না সেই ব্যক্তির ভাস্কর্য নিয়ে একটি মহল রাজনীতি করছে। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে নয় বরং একজন নাগরিক হিসেবে আমি ভাস্কর্য ভাঙ্গার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নিয়ে চলমান ষডযন্ত্রের প্রতিবাদে সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারীদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুজন চৌধুরীর সঞ্চালনায় উপস্থিত থেকে আরো বক্তব্য রাখেন- জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার নুরুন্নবী, জেলা দায়রা জজ ডঃ বেগম জেবুন্নেছা, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মঞ্জুরুল ইসলাম, জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মীর মোবারক হোসেন, ফেনী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু দাউদ মোঃ গোলাম মোস্তফা, ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বি.কম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরীন সুলতানা, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, সডক ও জনপদ বিভাগের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান উদ্দিন আহমেদ, ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিমল কান্তি পাল, ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা বেগম, ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত নাথ সহ প্রমুখ।
জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার নুরুন্নবী বলেন- বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ বিষয়টিকে উপলব্ধি করতে হবে। বঙ্গবন্ধু কে ছাডা যেখানে বাংলাদেশ কল্পনা করা যায়না সেখানে তার অপমান কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায়না।
জেলা দায়রা জজ ডঃ বেগম জেবুন্নেছা বলেন- এইদেশ বঙ্গবন্ধু তথা জাতির জনকের ভাস্কর্য ভাঙ্গা হতে পারে তা কল্পনাও করা যায়না। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা তাই এ বিষয়ে চুপ থাকতে পারেনা।
সিভিল সার্জন ডাঃ মীর মোবারক হোসেন বলেন- জাতির পিতার অসন্মান মানে আমরা সমগ্র বাঙালি জাতিকে অসন্মান করা। জাতির জনকের ভাস্কর্য ভাঙ্গার ঘটনা অত্যান্ত নিন্দনীয়।
সমাবেশে জেলার বিভিন্ন স্তরের সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণ উপস্থিত থেকে বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নিয়ে চলমান ষডযন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
Alert! This website content is protected!