বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

কিশোরগঞ্জে অর্থের অভাবে শিশু কন্যা মারিয়ার চিকিৎসা করাতে পারছেন না অসহায় পরিবার

আদর আলী,কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) থেকেঃ  
নাম মারিয়া আক্তার। বয়স মাত্র ৪ মাস। সে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের মসজিদ পাড়ার মাজেদুল ইসলামের একমাত্র মেয়ে।
এই শিশু বয়সে তার দেহে বাসা বেধেছে হার্ট  রোগ। যে কারণে ক্রমশঃ শারীরিক ওজন কমিয়ে আসতেছে।
হয়তো একদিন এভাবে নিভে যাবে তার জীবন প্রদীপ! ছোট্ট এই চার মাস বয়সের সোনামনি মারিয়াকে  বাঁচাতে দেশের বিত্তবানদের কাছে সহায়তার আবেদন করেছেন ভ্যানচালক দরিদ্র অসহায় বাবা মাজেদুল ইসলাম।ছোট্ট এই শিশু কন্যার চিকিৎসায় দানশীল বা বিত্তবানরা একটু এগিয়ে এলে তিনি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবেন।
চোখের সামনে প্রাণপ্রিয় সন্তানটি ক্রমেই নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। অথচ অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা করাতে পারছেন বাবা! সেই অসহায় বাবার আকুল আকুতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেও।
তার সন্তানকে বাঁচাতে তিনিও যেন তার ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেন। সেই সঙ্গে সারা দেশ বাসীসহ এলাকার বিত্তবান শ্রেণীর মানুষের কাছে সাহায্য চেয়েছেন।
মারিয়ার বাবা পেশায় একজন ভ্যানচালক। তার অল্প আয়ে সংসারের খরচই চলে না।চার মাসের শিশু কন্যা মারিয়ার চিকিৎসা করাতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে গেছেন। মারিয়ার চিকিৎসা নিয়েছেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডাঃজেসমিন হোসাইন এর তত্ত্বাবধানে।
চিকিৎসক জানিয়েছেন, তার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। এজন্য প্রায় ১০ লাখ টাকার ওপর খরচ হতে পারে। তিন মাসের মধ্যে অপারেশন করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এই তিন মাসের মধ্যে অপারেশন না করা হলে শিশুটিকে বাচানো সম্ভব হবে না। এদিকে টাকার অভাবে তার গরীব পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগার করা আসমান জমিন ব্যবধান। তাদের পক্ষে দশ লাখ দুরের কথা ১০ হাজার টাকা জোগাড় করা অসাধ্য ব্যাপার।
মারিয়ার গ্রামের বাড়ি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ  উপজেলায়।
Alert! This website content is protected!