বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

কিশোরগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশনের সহায়তায় স্বাবলম্বীর পথে হতদরিদ্র ২২৫ পরিবার 

মোঃআদর আলী, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
ওয়ার্ল্ড ভিশন একটি খ্রিষ্টান, মানবিক ত্রাণ, উন্নয়ন এবং এ্যাডভোকেসি সংস্থা যা বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর একটি। সমাজের হতদরিদ্র পরিবারকে সহায়তা করে তাদের জীবন-মানন্নোয়ন এবং দারিদ্রতা দূরীকরনে সংস্থাটি বদ্ধ পরিকর। ১৯৫০ সালে ড. বব পিয়ার্সের প্রতিষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন আজ বিশ্বের শতাধিক দেশে সেবা দিচ্ছে এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে একযোগে কাজ করছেন। তারেই ধারাবাহিকতায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশনের সহায়তায় স্বাবলম্বীর পথে হতদরিদ্র ২২৫ পরিবার। উত্তর বঙ্গের কিশোরগঞ্জ উপজেলা একটি মঙ্গা কবলিত এলাকা। এই এলাকার লোকজন খেয়ে না খেয়ে কোনো রকমে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাদের পক্ষে স্বাবলম্বী হওয়া আকাশ জমিন ব্যবধান। কিন্তু কোনো বিত্তবান ব্যক্তি বা কোনো সংস্থার কাছ থেকে যদি একটু পুঁজি পেতো, তাহলে তাদের পক্ষে কিছুটা স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব হতো। এমনি দুঃসময়ে যেন দেবতার রুপে হাজির হলো ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ নামের একটি খ্রিষ্টান, মানবিক ত্রাণ, উন্নয়ন এবং এ্যাডভোকেসি সংস্থা। উপজেলার পিছিয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারদের কাছে  স্বাবলম্বীর যেন  ভাগ্যদূত হয়ে দাড়ালেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হতদরিদ্র পরিবারের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন। হতদরিদ্র ২২৫ পরিবারকে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য ২৭ হাজারের বকনা গরু উপহার হিসেবে দিয়ে দিলেন। যাতে এই গরু দিয়ে ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হতে পারে। অভাবের সময় একটি বকনা গরু পাওয়ায়  খুবেই আনন্দিত হয়ে বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটির মিনা বেগম বলেন, হামা গরীব মানুষ বাহে। কোনো রকমে সংসার চলে। ছাউয়া পোলা নিয়ে কষ্টে জীবন কাটে। কোনো উন্নতি করতে সাধ্যে জোটে না। ওয়ালট ভিশন নামের একটা সংস্থা আমারে একখানা দামুর (বকনা) গরু দেওয়ায় মুই অনেক খুশি। এখনা দিয়ে মুই স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করিম। উত্তর দুরাকুটি ময়দান পাড়ার ইয়াসমিন আরা বলেন, এই অভাবের সময় একটি বকনা গরু পাওয়ায়  আমি অনেক খুশি । বাহাগিলী ইউনিয়নের জুম্মারপাড় এলাকার তহমিনা ও নিলুফা বেগমসহ চাদখানা ইউনিয়নের কাঠগারীর ববিতা ও আয়েশা সিদ্দীকাসহ আরও অনেকে এই কথা তুলে ধরেন। এবং এলাকার সচেতন ব্যক্তিরা মনে করছেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের দেওয়া বকনা গরু হতদরিদ্র পরিবারকে স্বাবলম্বী করে তুলবে।
Alert! This website content is protected!