বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

কিশোরগঞ্জে গ্রামীণ রাস্তা গুলো ধূলো-বালু সয়লাব, দুর্ভোগে জনজীবন

মো.আদর আলী, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)ঃ-
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে গ্রামীণ রাস্তা গুলো ধূলোয় সয়লাব হয়ে পড়েছে। মাহিন্দ্র ট্রাক্টরের চলাচলে গ্রামীণ রাস্তা গুলো ধূলোয় পরিনত হয়েছে।
কালুরঘাট ব্রিজ থেকে  পাগলাটারি  যাওয়ার প্রধান রাস্তার মাঝখানে দুলাল কবির  বাড়ি এলাকায় ধূলোর কারণে চলাচলে প্রতিনিয়ত হিমশিম খাচ্ছে পথচারীসহ এলাকাবাসী । প্রতি দিনের যাতায়াতে রাস্তার ধূলোর কারণে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে নিত্য পথচারীরা । অপর দিকে নয়ানখাল উত্তরপাড়া  থেকে ঘোপাপাড়া যাওয়ার রাস্তার প্রায় আধা কিলোমিটার রাস্তা ধূলোর কারণে চলাচলের অ-উপযোগী হয়ে পড়েছে।
জানা গিয়েছে নদী থেকে উত্তোলনকৃত বালু গুলো বাড়ি কিংবা রাস্তার কাজে ব্যবহারের জন্য মাহিন্দ্র ট্রাক্টরের মাধ্যমে নেওয়া আনার ফলে রাস্তা গুলো ধূলোর রাজ্যে পরিনত হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন সহ পথচারীরা জানিয়েছেন, রাস্তায় ধূলোর কারণে বাহির হওয়াই যায় না। মাহিন্দ্র ট্রাক্টরের প্রতিনিয়ত চলাচলের কারণে রাস্তা গুলো একেবারেই অকেজো হয়ে পড়েছে। ধূলোবালির কারণে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সবাই সমস্যায় পরছে।স্থানীয় ভাবে কোনো প্রকার তদারকি নেই বলেই চলে। এই ধুলো-বালুর কারণে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
বাহাগিলী ইউনিয়নের দক্ষিণ দুরাকুটি ঘোপাপাড়া গ্রামের আইজুল ইসলাম বলেন, মাহিন্দ্র ট্রাক্টরের চাকায় রাস্তা পিষ্ট হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এবং হাটু পরিমাণ ধূলোর অবস্থান হওয়ায় রাস্তা দিয়ে চলাচলে হিমশিম খাচ্ছে এলাকার লোকজন সহ আগত পথচারীরা। এসব ধূলোর কারণে অনেকে আবার বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। একই গ্রামের সাদেকুলের স্ত্রী বলেন, ধুলোর কারণে ঘর-বাড়ী পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা থাকছে না। এমনকি খাবার খাওয়ার সময়ও শান্তিমত খেতে পারছি না।
তাই এলাকাবাসী ট্রাক্টরের চলাচল বন্ধ সহ রাস্তা গুলোতে পানি দিয়ে চলাচলের উপযুক্ত করার জন্য কতৃপক্ষের কাছে জোরদাবি জানান।
Alert! This website content is protected!