বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

কিশোরগঞ্জে নিখোঁজের ৬ দিন অতিবাহিত হলে ও সন্ধান মিলেনি গৃহবধু কেয়া বেগমের

মোঃআদর আলী, কিশোরগঞ্জ নীলফামারীঃ    
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছিট রাজীব বাংলার বাজার থেকে গত ১৪ জানুয়ারী স্বামীর বাড়ী থেকে নিখোঁজ হন কেয়া বেগম(২৬)
গৃহবধু কেয়া বেগমের পারিবারিক সূত্রে জানা যায় ৬ বছর আগে ছিট রাজিব বাংলা বাজারের গালিম উদ্দিনের ছেলে তহিদুল ইসলাম শরিফের সাথে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক পারিবারিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।বিয়ের ২ বছর পর কোল জুড়ে আসে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান তার নাম সুমাইয়া আক্তার বয়স ৪ বছর।
আবুল কাশেম এই প্রতিবেদককে অভিযোগ করে বলেন,প্রায় যৌতুকের দাবী করে আমার মেয়ে কেয়াকে শারীরিক নির্যাতন করে।গত ২০/৬/২০ ইং তারিখে কেয়া বেগমের উপর পাশবিক নির্যাতন করে শ্বশুর শ্বাশুড়ী সহ তার স্বামী। আত্মরক্ষার জন্য আমার মেয়ে কেয়া বেগম পার্শবর্তী তার নিকট আত্মীয় বাসার অবস্থান করে।পরদিন জানতে পেরে তাৎক্ষনিক ভাবে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা করেন এবং সুস্থ্য হলে মেয়ের ভবিষৎতের কথা চিন্তা করে নিজেরাই স্থানীয় ভাবে আপোষ মীমাংসা করিয়া নেয়।
মেয়ের সুখের জন্য আবুল কাশের মেয়ে জামাতাকে থাকার জন্য পাকা ঘর নির্মান করে দেন।জামাতা তহিদুল ইসলাম শরিফ ঢাকায় একটি পোকাশ কারখানায় কাজ করেন।সুখেই চলছিল তাদের সংসার।
গত ১৫ জানুয়ারী শুক্রবার কেয়া বেগমের ছোট ভাইয়ের ছেলের আকিকা’র অনুষ্ঠান ছিল বাবার বাড়ী জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের  আলসিয়া পাড়ায়। তার আগের রাতে বৃহস্পতিবার জামাতা শ্বশুর আবুল কাশেরকে ঢাকা থেকে মুঠোফোনে জানিয়ে দেন যে আপনার মেয়ে বাসায় নাই।বিষয়টি হেয়ালিপনা করে শ্বশুর আবুল কাশেম মেয়ে জামাতাকে আবারও দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে লাইন বিচ্ছিন্ন করেন। সারাদিন অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকার এক পর্যায়ে মেয়ে কেয়াকে ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়ায় সন্দেহ বেড়ে যায়।কালক্ষেপণ না করে পরদিন শনিবার ১৬ জানুয়ারী  সকাল ৯ ঘটিকায় মেয়ে ও নাতনীর জন্য খাবার নিয়ে এসে দেখতে পারেন মেয়ে কেয়া বেগমের থাকার ঘর তালাবদ্ধ। বাড়ীর অন্যন্য সদস্যদের জিজ্ঞাসা করিলে তারা কিছুই জানে না বলে জানান।মেয়ে কেয়া বেগমের সন্ধান না পেলে  সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল   এবং  সদর ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুল ইসলাম আনিছকে অবহিত করিলে কিশোরগঞ্জ থানায় মেয়ে হারানোর সাধারণ ডায়েরী করার পরামর্শ দিলে তিনি থানায় গিয়ে জানতে পারেন তার বিয়াই গালিম উদ্দিন পুত্রবধু হারানোর সাধারণ ডায়েরী করেছেন।তিনি নিরুপায় হয়ে মেয়ে উদ্ধারের জন্য গত  ১৭ জানুয়ারী  থানায় একটি অভিযোগ করেন।
স্ত্রী নিখোঁজের ব্যাপারে জানতে চাহিলে স্বামী তহিদুল ইসলাম শরিফ বলেন,আমি ঢাকা থেকে কি করবো?আমার বউ অন্য কারো সাথে পালিয়ে যেতে পারে।এ বিষয়ে কেয়া বেগমের শ্বশুর গালিম উদ্দিনের সাথে বলার চেষ্টা করলে তিনি সটকে পড়েন।
এই বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা আক্কেল আলীর সাথে কথা হলে তিনি অভিযোগের কথা স্বীকার করে বলেন আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।
Alert! This website content is protected!