বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের তৎপরতার অভাবে করোনাকালীন সময়ে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে টুর্নামেন্টের আসর

মোঃআদর আলী, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের তৎপরতার অভাবে করোনা কালীন সময়ে  প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে টুর্নামেন্টের জমজমাট আসর। মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ত্বোয়াকা না করেই প্রশাসনের নাকে তেল দিয়ে অবাধে খেলাধুলা চালিয়ে যাচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে দ্বিতীয় দফার মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশংকাকে উপেক্ষিত করে দিনে ফুটবল টুর্নামেন্ট, রাতে ব্যাটমিল্টন এবং নাইট সার্কেল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রত্যকটি খেলায় আগত খেলা প্রিয় দর্শকদের মধ্যে নেই কারও মাস্ক। এমনকি দলাদলি ভাবে জটলা বেদে গাঁয়ে-গাঁ লাগিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে উপভোগ করছে খেলাধুলো।
এতে করে মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হওয়ার আশংকা বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনের তৎপরতা তো নেই, বরং এলাকার জনপ্রতিনিধিরা নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য এসব টুর্নামেন্টে উৎসাহিত করছে। কেননা, তাদের উৎসাহিত না করে যদি সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক খেলাধুলা বন্ধ রাখে তাহলে আগামী নির্বাচনে জয়লাভ হাতছাড়া হয়ে যাবে। উপজেলার কয়েকজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সচেতন ব্যক্তি জানান,বর্তমান সরকার করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করায় প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে খেলাধুলার আসর। উপজেলা প্রশাসন যদি কড়াকড়ি ভাবে নজরদারি রাখত তাহলে সব খেলাধুলা বন্ধ হয়ে যেতো। এব্যাপারে কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা রোকসানা বেগম এর সাথে কথা হলে তিনি জানান,
খেলাধুলা বন্ধের কোনো দিকনির্দেশনা এখনো পাইনি। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মাস্ক ব্যবহারে সচেতন মুলত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।
Alert! This website content is protected!