বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

কিশোরগঞ্জে বিলুপ্ত হয়ে গেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য “খড়ের ছাউনির তৈরি ঘর” 

মোঃ আদর আলী, কিশোরগঞ্জ, নীলফামারীঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে হারিয়ে গেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য খড়ের ছাউনির তৈরি ঘর।          রূপসী-গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য খড়ের ছাউনির তৈরি ঘর আজ বিলুপ্ত। এক সময় কিশোরগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায়, গ্রাম-গঞ্জে সেই চিরচেনা খড়ের ছাউনির তৈরি ঘরের প্রচলন ছিল কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে গেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য খড়ের ছাউনির তৈরি ঘর।  আধুনিকতার ছোঁয়ায় কালের বিবর্তনে খড়ের তৈরি ঘর বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এখন আর চোখে পড়ে না রূপসী বাংলার ঐতিহ্য খড়ের ছাউনির তৈরি ঘর।খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, যেখানে প্রতিটি গ্রাম-গঞ্জে ছনের তৈরি ঘর চোখে পড়ত কিন্তু বর্তমানে কয়েকটি ইউনিয়ন ঘুরেও মিলেনি সেই সময়ের চিরচেনা ছনের তৈরি ঘর।
বর্তমানে টিনের অত্যাধুনিক ব্যবহারের ফলে খড়ের ছাউনির তৈরি ঘর বিলুপ্ত। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২০-২৫ বছর আগেও গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়ীতে ছনের ছাউনির ঘর ছিল। গ্রাম-গঞ্জের প্রতিটি মানুষ খড় দিয়ে ঘরের ছাউনি দিত।গরমের দিনে ঠান্ডা আর শীতের দিনে গরম, তাই তারা এই ঘরকে এসি ঘর বলে। উচ্চবিত্তরা শখের বসে কখনও কখনও পাকা ঘরের চিলকোঠায় ছন ব্যবহার করতো।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা হলে তারা বলেন, একসময় প্রতিটি বাড়িতে খড়ের ছাউনির তৈরি ঘর ছিল। খড়ের  ছাউনির তৈরি ঘর ছিল খুবেই আরামদায়ক। গরম কালে ঠান্ডা আর শীত কালে গরম অনুভূত ছিল। কিন্তু বর্তমানে কালের বিবর্তনে বিলুপ্ত হয়ে গেছে চিরচেনা গ্রাম বাংলার  ঐতিহ্য খড়ের ছাউনির তৈরি ঘর।        হয়তো সেই দিন আর বেশি দুরে নয়, খড়ের ছাউনির ঘরের কথা মানুষের মন থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে। আগামী প্রজম্ম রূপকথার গল্পে এই ঘরকে স্থান দিতে স্বাছন্দবোধ করবে।
Alert! This website content is protected!