বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

কেশরহাটে নৌকার নির্বাচনী সভায় দুর্বিত্তদের ককটেল বিষ্ফরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজশাহীর কেশরহাটে নৌকার নির্বাচনী সভায় দুর্বিত্তদের ককটেল বিষ্ফরণ হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে প্রায় অনেক মহিলা পায়ে পিষ্ট হয়ে আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ৮ টায় পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হরিদাগাছি গ্রামে নৌকার প্রার্থী শহিদুজ্জামান শহিদ এর নির্বাচনী সভায় হটাৎ দুর্বিত্তদের ছোড়া ৩ টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় মঞ্চে সভার প্রধান অতিথি এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম বক্তব্য দিচ্ছিলেন। আর সামনে সারিবদ্ধ লাইনে চেয়ারে বসে বক্তব্য শুনছিলেন মহিলা ভোটাররা। এতে উপস্থিত নেতাকর্মীরা ও সাংবাদিকরা ও আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ছুটাছুটি শুরু করে।
উল্লেখ্য সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় নৌকার নির্বাচনী সভা শুরু হয়। একে একে মঞ্চে আগত অতিথিরা বক্তব্য দিতে থাকেন। পর্যায়ক্রমে বক্তব্য দেন নৌকার প্রার্থী শহিদুজ্জামান শহিদ। এর পরে বক্তব্য দিতে শুরু করেন সভার প্রধান অতিথি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আব্দুস সালাম। বক্তব্যের ঠিক ৫ মিনিট যেতেই হটাৎ মঞ্চের সামনে পর পর ৩ টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় মঞ্চের সামনে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পরে। মঞ্চে উপস্থিত নেতাকর্মীরা ছুটাছুটি শুরু করে। কয়েকজন নেতাকর্মী প্রধান অতিথি ও নৌকার প্রার্থীকে নিরাপত্তা দিতে চারিদিক থেকে ঘিরে রাখেন।
মেয়র শহিদুজ্জামান শহিদ বলেন, আজ আমার নির্বাচনী সভায় হাতবোমারা হয়েছে। আমি চরম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত আহত। আমি চিন্তিত হয়ে পড়েছি মঞ্চে আমার কয়েক হাজার মা-বোন ও ভাইয়েরা ছিলেন বোমায় যদি কেউ মারা যেত তাহলে কি হতো। আমি এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মাস্টার বলেন, আজ (মঙ্গলবার) নৌকা প্রতিকের প্রার্থী শহিদুজ্জানের হরিদাগাছিতে নির্বাচনী পথসভা ছিল। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় পর পর ৩টি হাতবোমা বিস্ফোরণ হয়। এরই প্রতিবাদে আগামীকাল (বুধবার) বিকেল কেশরহাটে প্রতিবাদ মিছিলের আহব্বান জানিয়ে নেতাকর্মিদের শান্ত করা হয়েছে।

মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি তৌহিদুল ইসলাম বলেন,কে বা কারা তিনটি ককটেল বিষ্ফরণ ঘটিয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আছে।তবে কে বা কারা এ হামলা করেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
Alert! This website content is protected!