বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

চট্টগ্রামে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা।

মোঃ সিরাজুল মনির ব‍্যুরো প্রধান চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রাম মহনগরীর জিইসি মোড়ের বিরিয়ানির দোকান ক্যান্ডিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর। তারা ফ্রিজে বাসি খাবার, অপরিষ্কার বাসনপত্রে খাবার সংরক্ষণ ও রান্না করা মাংস প‌লি‌থিন ব‌্যা‌গে রাখার কারণে  তাদের এই জরিমানা করা হয়।

এছাড়া ভোক্তা অধিকারের এই অভিযানে নগরের বিভিন্ন জায়গার আরও ৭ দোকানকে ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার দিনভর পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা সহকারী প‌রিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যাল‌য়ের উপ-প‌রিচালক মোহাম্মদ ফ‌য়েজ উল‌্যাহ্, সহকারী প‌রিচালক (‌মে‌ট্রো) পাপীয়া সুলতানা লীজা।

অভিযান প্রসঙ্গে ভোক্তা অধিকার জানায়, জিইসি মোড়ের ক্যান্ডিকে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যদ্রব্য, রান্নাকরা মাংস প‌লি‌থিন ব‌্যা‌গে, ময়লা পাত্রে খা‌দ্য উপকরণ সংরক্ষণ করা সহ ময়লাযুক্ত খা‌দ্য উপকরণ ব‌্যবহার করার অপরাধে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া একই এলাকার এশিয়ান কাবাব‌ নামের বিরিয়ানির দোকানে খাদ‌্যদ্রব‌্য সংরক্ষ‌ণে ছাপা সংবাদপত্র ব‌্যবহার ও কিচেনে নোংরা পা‌নি জ‌মে থাকায় ৬ হাজার টাকা, উৎপাদন ও মেয়াদবিহীন পণ্য সংরক্ষণ করায় অফটাইম স্ন্যাক্সকে ৫ হাজার টাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ ও মেয়া‌দোত্তীর্ণ প‌ণ্যের মেয়াদ তু‌লে ফেলায় দি ইয়াম ইয়াম স্টোরকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তারা আরো জানায়, একই অভিযানে আকবরশাহ থানার ফয়’স লেকের লাকী হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে অননু‌মো‌দিত এনা‌র্জি ড্রিঙ্ক সংরক্ষণ করায় ৮ হাজার টাকা, মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করে ভোক্তা‌দের বে‌শি দা‌মে খাদ‌্যদ্রব‌্য বিক্রয় করায় ফ্রেশ ফুড কর্ণারকে ৮ হাজার টাকা, গোল্ড হিল‌কে ১০ হাজার টাকা সহ আশা রেস্টু‌রেন্ট‌কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়।

Alert! This website content is protected!