বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

চট্টগ্রামে হাই-টেক পার্কের কাজের উদ্ভোদন আজ

মোঃ সিরাজুল মনির ব‍্যুরো প্রধান চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানার সিঅ্যান্ডবি এলাকায় তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের হাই-টেক পার্ক, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক এবং ইনকিউবেশন সেন্টার। এসব স্থাপনা নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ২০০ কোটি টাকা। বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামালের নামে নির্মিতব্য এ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হলে কর্মসংস্থান হবে প্রায় আড়াই হাজার লোকের।

আজ শনিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের উদ্বোধন করবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। চট্টগ্রাম ৮ আসনের সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বত্বে এতে বিশেষঅতিথি থাকবেন থাকবেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বিএফআইডিসি রোড সংলগ্ন চাঁদগাঁও ও চর রাঙ্গামাটিয়া মৌজায় প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা হবে হাই-টেক পার্ক।  এসব স্থাপনা নির্মাণে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। নির্মাণের পর প্রথম ৩০ বছর এই পার্ক দুটি থেকে অর্ধেক অর্ধেক রাজস্ব সিটি করপোরেশন ও হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ভাগাভাগি করে নেবে। পরে এই চুক্তি নবায়ন হতে পারে।

শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের মাধ্যমে একদিকে যেমন দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি হবে, তেমনি হাই-টেক পার্কে হবে তাদের কর্মসংস্থান। এ ছাড়া হাই-টেক পার্কে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি তৈরি হবে দেশিয় উদ্যোক্তা।

গত বছরের ১৮ জুলাই বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চসিকের চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ মার্চ এ দুই সংস্থার মধ্যে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনে সমঝোতা স্মারক সই হয়। চসিক মিলনায়তনে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম এনডিসি ও চসিকের পক্ষে প্রধান নির্বাহী মো. সামসুদ্দোহা সমঝোতা স্মারকে সই করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৫ সালে ঢাকাসহ দেশের ১২ জেলায় হাইটেক পার্ক নির্মাণের কাজ শুরু হলেও জায়গার অভাবে চট্টগ্রামে নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। পরে নিজস্ব জমিতে হাইটেক পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয় চসিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে নগরীর  কালুরঘাট শিল্প এলাকায় অত্যাধুনিক হাইটেক পার্কটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

চসিক সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত জায়গাটিতে হাইটেক পার্ক নির্মাণে উদ্যোগ নেন সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। গত বছরের ২৩ জুলাই হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে পার্ক নির্মাণে সম্মতি দেওয়া হয়। চিঠিতে চসিকের প্রস্তাবিত জমিটি হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষকে কোন প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর হবে, জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি ওই জমির ‘পর্চা, নকশা, স্কেচম্যাপ ও জমির তফসিল পাঠাতে বলা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী সবকিছু পাঠানোর পর কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করে জমিটিকে হাইটেক পার্ক নির্মাণের জন্য উপযুক্ত মনে করে। পরে  দুই সংস্থার মধ্যে সমঝোতা চুক্তি হয়।

চুক্তি অনুযায়ী চসিকের ১১ দশমিক ৫৫ একর জায়গা হাইটেক পার্ক নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় পার্কটি নির্মাণে ২০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে

Attachments area
Alert! This website content is protected!