বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশুবিবাহ প্রতিরোধে জেলা পর্যায়ে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশুবিবাহ প্রতিরোধে জেলা পর্যায়ে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ১১ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শিশুবিবাহ বন্ধে জেলা পর্যায়ে এ্যাডভোকেসি সভা ইউনিসেফ এর অর্থায়নে এ্যাসোসিয়েশন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি) আয়োজন করে।
এ.কে.এম তাজকির-উজ-জামান এর
সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক  মঞ্জুরুল হাফিজ বলেন আমরা শিশু বিবাহ প্রতিরোধে যে সমস্ত কাজ বাস্তবায়ন করছি তা অবশ্যই লিপিবদ্ধ থাকতে হবে। জেলা প্রশাসনে শিশু বিবাহ নিরোধ সেল গঠন করা হবে । আমি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে শিশু বিবাহ মুক্ত করতে চাই। আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন ট্রাইবুনালে কতটি বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলা হয়েছে তার সংখ্যা প্রতি মাসে রিপোর্ট করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়। বার এ্যাসোসিয়েশন চাঁপাইনবাবঞ্জ সদস্যদের বয়স সংক্রান্ত এফিডেভিড না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আবুল কালাম বলেন মসজিদ ভিত্তিক এবং কাজীদের নিয়ে আমাদের যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে সেই সকল ক্ষেত্রে আমরা কঠোরভাবে শিশু বিবাহের বিরুদ্ধে বার্তা প্রদান করে যাচ্ছি। বিগত ২ মাসে ২টি শিশু বিবাহ বন্ধ করেছি এবং ২টি চিঠি ইস্যু করেছি ইমামদের যেন তারা কোন শিশু বিবাহে অংশগ্রহণ না করে।
সভাপতির বক্তব্যে এ.কে.এম.তাজকির-উজ-জামান বলেন,শিশু বিবাহ বন্ধের ক্ষেত্রে আমাদের জন্ম নিবন্ধনের বিষয়টিকে  বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রচারণার হাতিয়ার হিসাবে গম্ভীরার আয়োজন করা যেতে পারে। বিভিন্ন হটলাইন নাম্বার ব্যবহারের ক্ষেত্রে জনগনকে আরো বেশি উৎসাহিত করতে হবে এবং প্রতিটি স্কুল পর্যায়ে যে সকল মেয়েদের শিশু বিয়ে হওয়ার সম্ভবনা আছে তাদের একটি ডাটাবেজ তৈরী করতে হবে।
উক্ত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শারমিন সুবরীনা,ডিরেক্টর প্রোগ্রাম এসিডি।প্রথমেই সভার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন মনিরুল ইসলাম পায়েল। এরপর শিশু বিবাহের কুফল,সমাজের উপরে তার প্রভাব, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ আইন-২০১৭ ও শাস্তির বিষয়,শিশু বিবাহ বন্ধে জেলা প্রশাসনের করণীয় প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এরপর উপস্থিত অতিথিবৃন্দের মতামত জানতে চাওয়া হয়।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা,আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য,আইনজীবি,সুশীল সমাজের প্রতিনিধি,কাজী,ইমাম,পুরোহিত, শিক্ষক,এনজিও প্রতিনিধি,মিডিয়া প্রতিনিধি,দলসদস্য এবং এসিডির প্রোগ্রাম অফিসার হুমায়ুন কবির ও রুপম কুমার দেব ।
Alert! This website content is protected!