বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

নওগাঁর বদলগাছীতে শত্রুতার জেরে মারপিট ও ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুরের অভিযোগ

নুরুজ্জামান লিটন,জেলা প্রতিনিধি নওগাঁঃ নওগাঁর বদলগাছীতে জমি-জমা বিরোধের জের ধরে মারপিট ও ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চাকলা গ্রামে। ঐতিহাসিক পাহাড়পুরের চাকলা গ্রামে মোজাম্মেল হোসেন এর ছেলে আরিফুল ইসলাম বাবু জানান, তাদের জমি-জমা নিয়ে প্রতিবেশী গাওছুল গংদের সাথে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছে। আরিফুলের বাবা প্রতিবেশী ছাইফুলের কাছে ৫শতক জমি বিক্রয় করেছে। সে জমির উপর সাইফুলের ঘর রয়েছে। সাইফুল ইট দিয়ে ঘর তৈরির জন্য মাটির ঘর ভেঙ্গে ফেললে শনিবার সে জমি মাফযোগ করা হয়। এ সময় দু-পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এতে আরিফুলের মায়ের দুটি দাঁত ভেঙ্গে যায় এবং তার চাচা তোজাম্মেল আহত অবস্থায় বদলগাছী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। আরিফুল আরও জানায়, তার ঘরে ঢুকে প্রতিপক্ষরা ঘরের টেলিভিশন, ড্রেসিং টেবিল, আলমারিসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে। প্রতিপক্ষ গাওছুলের সংগে মোবাইল ফোনে কথা বললে জমি মাফযোগের সময় আরিফুল তার ঘরের জানালা দিয়ে আমাদের খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করছিল। এসময় আমরা তার জানালা দিয়ে তার ঘরে ১টি ঢিল ছুড়েছি। তবে তাদেরকে মারপিট করা হয়নি এবং ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয়নি। আমাদের ফাঁসাতে আরিফুল তার মা ও চাচাকে আহত করেছে এবং নিজে নিজে ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে। ক্রেতা সাইফুল জানান, আমি ৫শতক জমি কিনেছি আরিফুলের বাবার কাছ থেকে। সেই জমির ভিতরে গাওছুল পক্ষের ২শতক জমি আছে দাবী করে বের করে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনা ঘটে। তখন আমরা পূর্বদিকে জমি মাফযোগ করছিলাম। এ বিষয়ে আরিফুল বাদী হয়ে বদলগাছী থানায় ২১ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে। পাহাড়পুর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান কিশোর জানায় দীর্ঘদিন থেকে তাদের জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। অনেক বার শালিস করেছি। তারা সমাধানে আসে না। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী অফিসার বদলগাছী থানার এসআই সামা জানায় ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিকভাবে আমরা ছুটে না গেলে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটত। আসামী পক্ষ মারপিট করে কয়েকজনকে আহত করেছে। তার মধ্যে ২ জন হাসপাতালে ভর্তি আর দু-তিনজন প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা নিয়েছে। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চৌধুরী জোবায়ের আহমেদ বলেন পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না করলে বড় সংঘাত সৃষ্টি হত। ঘটনার পর থেকে আসামীরা পলাতক রয়েছে।

Alert! This website content is protected!