বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

নওগাঁর রাণীনগরে ক্লিনিকে অভিযান,৪০ হাজার টাকা জরিমানা

নুরুজ্জামান লিটন,জেলা প্রতিনিধি নওগাঁঃ নওগাঁ জেলার রানীনগরে ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কুজাইল বাজার সংলগ্ন হিন্দুপাড়ায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রাশেদুল ইসলাম। ওই এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে অর্শ্ব (পাইলস) রোগের ঝুঁকিপূর্ণ শল্যচিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন দুই নারী। তারা হলেন- মৃত খোকনের স্ত্রী অমলা সরকার এবং মৃত শিমন ডাক্তারের স্ত্রী জয়া সরকার। পাশাপাশি সকল অবৈধ চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। জানা গেছে, উপজেলার কুজাইল বাজার সংলগ্ন হিন্দুপাড়ায় লিয়াকত আলী নামে এক ব্যক্তির বাড়িভাড়া নিয়ে গত ১০ বছর থেকে ছয় শয্যার ক্লিনিক গড়ে তুলে অর্শ্ব (পাইলস) রোগের চিকিৎসা দিয়ে আসছিল মৃত খোকনের স্ত্রী অমলা সরকার। একই এলাকায় নিজের বাড়িতে ক্লিনিক গড়ে তুলে একই ধরনের চিকিৎসা করছিলেন মৃত শিমন ডাক্তারের স্ত্রী জয়া সরকারও। এ ঘটনায় ২৪ নভেম্বর উপজেলা প্রশাসন সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে চিকিৎসার কিছু উপকরণ উদ্ধার করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত জয়া সরকারের নেতৃত্বে তাদেরকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের সংবাদ পেয়ে অমলা সরকার পালিয়ে যান এবং ফোন বন্ধ রাখেন। পরে বাড়ির মালিক লিয়াকত আলী মোল্লাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের পর কিছুদিন এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ ছিল। সম্প্রতি তারা আবারও চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করে। রানীনগর উপজেলা ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগেও ওই দুই ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে জরিমানাসহ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। সম্প্রতি তারা আবারও কার্যক্রম পরিচালনা করছে এমন সংবাদ পেয়ে অফিসের এক কর্মচারীকে ছদ্মবেশে অমলার চিকিৎসালয়ে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অমলা সরকারের ভাড়া করা ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত কিছু উপকরণ উদ্ধার করা হয়। অবৈধ চিকিৎসার কাজে বাড়িভাড়া দেয়ার অপরাধে বাড়ির মালিককে ৩০ হাজার টাকা এবং অমলা সরকারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। তিনি বলেন, পরবর্তীতে আবারও এ ধরণের কর্মকাণ্ড শুরু করলে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Alert! This website content is protected!