বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

নওগাঁর রাণীনগরে ধর্ষণের অভিযোগে ইমামসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা;আটক দুইজন

নুরুজ্জামান লিটন,জেলা প্রতিনিধি,নওগাঁঃ নওগাঁ জেলার রাণীনগরে একজন বিধবাকে ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমামসহ স্থানীয় ৭ জন মাতব্বরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুইজন মাতব্বরকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন আকন্দ বলেন,রাণীনগর উপজেলার গহেলাপুর বড়িয়া গ্রামের মৃত শাহাদ আলীর ছেলে জাকারুল ইসলাম জাকির স্থানীয় একটি মসজিদে ইমামতি করতেন। এরইমধ্যে ওই এলাকার এক বিধাবকে (৪০) বিবাহের প্রস্তাব দিলে বিধবা প্রস্তাব প্রত্যাখান করে। এরপর গত বছরের ১০ নভেম্বর রাতে বিধবার বাড়িতে ঢুকে বিয়ের প্রলোভনে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনার কয়েকদিন পর আবারো ওই বিধবার ঘরে ঢুকলে বিধবা জাকিরুলকে বিয়ের চাপ দেয়। পরে বিয়ে করবেনা জানিয়ে বিধবাকে মারধর করে চলে যায় জাকির। এর কিছুদিন পর বিষয়টি গ্রামে জানাজানি হলে ঘটনা ধামাচাপা দিতে গ্রাম্য মন্ডল মাতব্বরেরা সালিশ বসিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ওই ইমামের। এরপর বিধবাকে কোনো টাকা না দিয়ে ঘটনা কাউকে না বলতে চাপ দেয় মাতব্বররা। উক্ত ঘটনায় ওই বিধবা বাদী হয়ে গতকাল ১০ ডিসেম্বর, রোববার রাতে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপার অভিযোগ এনে ইমাম জাকিরুল, মাতাব্বর জামালসহ ৩ জনকে এজাহার নামীয় এবং আরো ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করে। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে শুখান দিঘী গ্রামের মৃত কায়েম উদ্দীনের ছেলে মাতাব্বর জামাল হোসেন (৪৬) ও বড়গাছা গ্রামের মৃত আবদুর রহিমের ছেলে অফির উদ্দীনকে (৬০) গ্রেফতার করে। রাণীনগর থানার অফিসার ইন চার্জ জানান,ঘটনার পর থেকে প্রধান আসামি জাকিরুল পলাতক রয়েছে। বাঁকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Alert! This website content is protected!