বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

নওগাঁয় পিতৃহীন অনাথ শিশুকে ট্রেনে তুলে দিয়ে নিরুদ্দেশ করে দিলো আপন ভাই-ভাবি

নুরুজ্জামান লিটন,জেলা প্রতিনিধি,নওগাঁঃ “আমরা তোকে আর রাখব না, তোর মন যেখানে যেতে চায় চলে যাবি’ এই বলে তাকে ট্রেনে তুলে দেন ১০ বছরের শিশুর আপন ভাই ও ভাবি। ভুক্তভোগী শিশু রফিকুল ইসলামের বাড়ী নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মৃত বাদেশ মন্ডলের ছেলে। ২৩ জানুয়ারি,শনিবার রাতে তাকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর রেলওয়ে স্টেশনে পাওয়া যায়। আজ ২৪ জানুয়ারি,রবিবার,দুপুরে স্থানীয় সোনার বাংলা সমাজ কল্যাণ ও ক্রীড়া সংসদের আহ্বায়ক এসএম হেলাল খন্দকার শিশুটিকে বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে নিয়ে যান। অনাথ শিশু রফিকুল জানান, তার বয়স ১০ বছর। সে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়তো। তার বাবা-মা প্রায় এক বছর আগে মারা যান। তাদের মৃত্যুর পর থেকে একমাত্র আপন ভাই রফিকুলের কাছে থাকতো সে। তার ভাই রাজমিস্ত্রির কাজ করেন এবং নওগাঁর রানীনগরের একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। হঠাৎ শনিবার তার ভাই-ভাবি তাকে আর রাখতে পারবে না বলে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনে তুলে দেন। এসএম হেলাল খন্দকার জানান, স্টেশনের পাশেই তার বাড়ি। তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড করেন। গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেন চলে যাবার পর স্টেশনে এলোমেলোভাবে ঘুরতে দেখে রফিকুলকে বাড়িতে নিয়ে যান এবং বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে রাতেই বিষয়টি থানা পুলিশ ও ইউএনওর কাছে অবহিত করেন। পরে আজ দুপুরে রফিকুলকে ইউএনওর কার্যালয়ে নিয়ে যান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আম্বিয়া সুলতানা বলেন, গতরাতে বহরপুর স্টেশনে এক সমাজকর্মী একটি শিশুকে পেয়েছেন। শিশুটির দেয়া তথ্যানুসারে নওগাঁর সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে কথা হয়েছে। শিশুটিকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Alert! This website content is protected!