বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

নওগাঁয় সরকারি ন্যায্য মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ কৃষকদের

নুরুজ্জামান লিটন,জেলা প্রতিনিধি নওগাঁঃ বর্তমান ইরিধান রোপণের করার এ-ই ভরা মৌসুমে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে সারের ডিলাররা ও খুচরা পর্যায়ের সার ব্যবসায়ীরা নওগাঁয় বস্তাপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বেশি নিচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, অতিরিক্ত মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে ডিলাররা। সার ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, কোনো অজুহাতে সারের বাড়তি দর নেওয়ার সুযোগ নেই। আর নির্ধারিত দরের অতিরিক্ত অর্থ নিলে ডিলারদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি কৃষি বিভাগের। নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার কৃষক আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ,তিনি ৩ বিঘা জমিতে ধান রোপণের প্রস্ততি নিয়ে সার কিনতে আসেন স্থানীয় সার ব্যবসায়ীর কাছে । সরকারি বেঁধে দেওয়া দরের চেয়ে বস্তা প্রতি দেড়শ’ টাকা বেশি দিয়ে সার কেনায় লুৎফরের মতো অনেক কৃষকেরই হিসাবের খাতা ওলটপালট হয়ে যাচ্ছে। বোরো আবাদে ভর মৌসুম মাঠে চাষাবাদে ব্যস্ত চাষিরা। ভালো ফলন পেতে সার প্রয়োগ করেন চাষিরা । আর সারের চাহিদা বাড়ায় নানা কারণ দেখিয়ে ডিলাররা বস্তাপ্রতি বেশি টাকা নিচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, সঠিক নজরদারি না থাকায় অধিক মুনাফার সুযোগ নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা। ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বাজারের কয়েকজন সার ব্যবসায়ী জানান,ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দরে সার কেনার কারণে মাঠপর্যায়ে বাড়তি দর নিচ্ছেন তারা। নওগাঁ সদরের হাপানিয়ার সার ডিলার মো. আবু হাসান বলেন, ভাড়া বেশি, মাল পাওয়া যাচ্ছে না, ইমপোর্ট কম হচ্ছে; এসব কারণে মালের দাম বেড়ে যাচ্ছে।তবে সরকার নির্ধারিত দরের বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি ব্যবসায়ী নেতার। আর অধিক মূল্য নেওয়া হলে ডিলারশিপ বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায় কৃষি বিভাগ। নওগাঁর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. সামসুল ওয়াদুদ বলেন, অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা নেব। ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন নওগাঁ শাখার সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, কোনোভাবেই যাতে সরকার নির্ধারিত দামের চাইতে বেশি না নেওয়া হয় সেটা ডিলারদের নির্দেশনা দেওয়া আছে। কৃষি বিভাগ জানায়, জেলায় নিবন্ধিত ডিলার ৩২৬ জন চলতি মাসে বিসিআইসি এবং বিএডিসির কাছ থেকে ইউরিয়া ডিওপি এবং এমওপি জাতের ৩৩ হাজার ৩৯৮ মেট্রিক টন সার উত্তোলন করেছেন ডিলাররা।

Alert! This website content is protected!