বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

নাগরপুরে অবৈধ টোলিতে মাটি তুলতে প্রাণ গেলে শ্রমিকের

নাগরপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ-
টাঙ্গাইলের নাগরপুর অবৈধ টোলিতে মাটি তুলতে গিয়ে মাটি চাপা পড়ে উপজেলার ভারড়া ইউনিয়নের শালিয়াড়া গ্রামের এক মাটি কাটার শ্রমিক নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে মাটি চুরি করে বিক্রি করার সময় এ ঘটনাটি ঘটে। সে ওই গ্রামের সালাম মিয়ার ছোট ছেলে মো. আকাশ মিয়া (১৮)। ময়না তদন্ত ছাড়ায় লাশ দাফনের প্রস্তুতি চলছে বিকাল চারটায় এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত।
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ নাগরপুর উপজেলার ভারড়া ইউনিয়নের শালিয়াড়া নদীর পাড়ে রাত দিন ২৪ ঘন্টা অবৈধ ভাবে ২০ থেকে ২৫টি টোলি দিয়ে দেদারছে মাটি চুরি করে বিক্রি করছে। কিছু দিন আগে উপজেলা প্রশাসন এসে মাটি কাটা বন্ধদের নির্দেশ দেন। কয়েক দিন বন্ধ থাকার পর আবারও মাটিখেকোরা রাতে আধারে মাটি কাটা শুরু করে। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে মাটি চুরি করার সময় উপজেলার ভারড়া ইউনিয়নের শালিয়াড়া গ্রামের মাটি কাটার শ্রমিক আকাশ ওই দিন ভোরে বাদলের টোলিতে নদীর পাড় থেকে মাটি তুলছিলো। মাটি তুলার সময় আকাশ মাটির নিচে চাপা পরে যায় । এ সময় অন্যান্য মাটি কাটার শ্রমিকরা মাটি সরিয়ে আকাশকে উদ্ধার করে আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন ঢাকা প্রেরন করে। আকাশ রাস্তায় বমি করলে তার অবস্থা আরো খারাপ দিকে যায়। আকাশকে ঢাকা উত্তয়ার একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই সে মারা যায়। আকাশের লাশ নিয়ে পরিবারের লোক গ্রামের বাড়ীতে ফিরে আসে। ছেলের লাশ দেখে হতভম্ব হয়ে পড়ে মা।
এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকার প্রভাবশালীরা মুত্যু দেহ বাড়ীর উঠানে রেখে দফায় দফায় শালিশে বসে।  এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ( বিকেল ৪টা) লাশ নিয়ে শালিশে  চলছে দরকষাকষি। ঘটনার পর থেকে টোলির মালিক বাদল মিয়া পলাতক আছে বলে এলাকাবাসী জানান।
এ ব্যাপারে নাগরপুর থানার উপরিদর্শক এস আই ফজলুল হক ফজলু বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হই এবং লাশের সুরুতহাল রিপার্ট সম্পূর্ন করি। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করি।

Alert! This website content is protected!