বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

নাগরপুরে মামলা করায় নিরাপত্তাহীনতায় একটি পরিবার

নাগরপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ-

জোর যার মুল্লুক তার এই প্রবাদটির সত্যতা মেলে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের বন্ধজালশুকা গ্রামে। ওই গ্রামের একটি নিরীহ পরিবারকে জিম্মি করে নানা ভাবে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। ইউপি সদস্য মাসুদ ও হবির ছত্রছায়ায় রয়েছে ১০/১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ। অবস্থা এমন ‘লাঠি যার জমি তার’। এদের অত্যাচারে দিশেহারা হয়ে পড়েছে বন্ধজালশুকা গ্রামের দরিদ্র বদর উদ্দিনের পরিবার। সম্প্রতি ইউপি সদস্য মাসুদ তার দলবল নিয়ে হামলা করে মো. মিজানুর রহমানের উপর। ছেলের উপর হামলার খবর পেয়ে হার্টএ্যাটাক করেন পিতা বদর উদ্দিন ওরফে বিচার আলী। বর্তমানে তিনি শয্যাসায়ী অবস্থায় বাড়ীতে অরস্থান করছেন । এই বাহিনী তিন দফায় জোড় পুর্বক দরিদ্র বদর উদ্দিনের এক মাত্র উপার্জনের  পথ লেবু বাগান থেকে জোড় পূর্বক লেবু লুট করে নিয়ে যায়।

মামলা ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়,  মাসুদ ও হবি সহ দুই গ্রাম মিলে ১০/১৫ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে। তারা প্রতিনিয়ত সাধারন মানুষের উপর অত্যাচার নির্যাতন সহ বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবী করে। এদের নেতৃত্বে এলাকায় গড়ে উঠছে মাদকের এক বিশাল নেটওয়ার্ক।  গত ২৪ আক্টোবর ২০২০ ইং তারিখে মিজানুর রহমান (২৮) লেবু বিক্রি করে বাড়ি ফিরার পথে মাসুদ রানা ও হাবিবুর রহমান হবি সহ কয়েকজন যুবক নিয়ে তাকে পথ আটকিয়ে তাদের দলের সদস্য হওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়। মিজান সদস্য হওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে  মাসুদ ও হবি  মিজানের কাছ থেকে জোড় পূর্বক ৪৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিয়ে চলে যায়। মিজানুর ভয় পেয়ে বাড়ী চলে আসে। এরপর  ৪ নভেম্বর ২০২০ ইং তারিখ সকাল দশটায় আগদিঘুলিয়া এম বোরহান উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় এর দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তায় মিজানুরকে একা পেয়ে মাসুদ ও হবি  গ্রুপ হাতুরী দিয়ে বেদম আঘাত করে । আহত মিজান কে এলাকাবাসী উদ্বার করে নাগরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় পর পর দুটি মামলা করলে আসামীরা জামিনে এসে মামলা তুলে নেবার জন্য প্রতিনিয়ত বাদিকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।  এদের ভয়ে পরিবারটি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

মোকনা ইউপি সদস্য মো. মাসুদ রানা বলেন, মিজানুরের কোন বিষয় আমি জরিত না। আমাকে জরিয়ে দুই টি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন।

Alert! This website content is protected!