বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

নারীদের নিজের সাহসে এগিয়ে যেতে হবে। চট্টগ্রামে দেশচিন্তার সেমিনারে বক্তারা

মোঃ সিরাজুল মনির ব‍্যুরো প্রধান চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রামের মননশীল পত্রিকা দেশচিন্তার আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ দিবসের এক সেমিনার গত ২৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম একাডেমীর ফয়েজ নুরনাহার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাতকানিয়া পৌর মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের। উদ্ভোধক ছিলেন ন্যাপ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মিঠুল দাশ গুপ্ত, প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব। দেশচিন্তা সম্পাদক ইমরান সোহেলের সঞ্চালনায় সম্মাননা গ্রহণকারী তিন নারী হলে কবি ও সাহিত্যিক নুরনাহার নিপা, মানবাধিকার নেত্রী মাসুমা কামাল আঁখি, সংগঠক সাথী কামাল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাষ্কর ডি কে দাশ মামুন, চিকিৎসক ডাঃ জামাল উদ্দিন, সাতকানিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নবাব মিয়া রাকিব, প্রজন্ম চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা জসীম উদ্দিন চৌধুরী, সংগঠক স ম জিয়াউর রহমান, ডিজিটাল মানবাধিকার সংস্থা চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি হাসান মুরাদ, মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত হোসেন, শিল্পী হানিফ চৌধুরী, নারীনেত্রী সাজেদা বেগম সাজু, শিল্পী রেখা বড়ুয়া, ছিন্নমূল সমন্বয় সংগ্রাম পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক স্বপন বিশ্বাস, কবি সায়েম উদ্দিন, গোলাম রহমান, প্রিয়াঙ্কা সরকার, কবি শফিকুল ইসলাম সবুজ, তিতাস, রতন ঘোষ, শিল্পী শিউলি প্রমুখ। বক্তারা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতার প্রতিরোধে সবাইকে দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। অস্বীকার করার উপায় নেই, নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে অতীতেও। অবশ্য তখন মানুষের মধ্যে এত সচেতনতা ছিল না। তখন নারী নির্যাতন যে একটা অপরাধ সেটা হয়তো অনেকে জানত না। এখন সময় পাল্টাচ্ছে। শিক্ষা-দীক্ষায় এগিয়েছে মানুষ। সচেতনতা সৃষ্টি হচ্ছে সকল ক্ষেত্রেই। কিন্তু নারী নির্যাতনের মতো একটি মারাত্মক স্পর্শকাতর বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি হয়নি আজও। নারী সহিংসতা রোধে আছে আইন, বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক সনদ ও চুক্তি। কিন্তু এগুলোর কোন বাস্তবায়ন নেই। এসব আইন সম্পর্কে সাধারণ মানুষও সচেতন নয়। আবার অনেক নারীই এসব আইন সম্পর্কে জানেও না। সর্বোপরি আইন প্রয়োগকারী ও আইন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারী ও দরিদ্র মানুষের প্রবেশাধিকার নেই বললেই চলে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে বছরের পর বছর ধরে শুধু আন্দোলন নয়, নারীর প্রতি এ সহিংসতা রোধে প্রচলিত আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্বে নারীর অধিকার আদায় নিয়ে কাজ করছে এমন অনেক সংগঠন রয়েছে। শুধু সহিংসতার তথ্য সংগ্রহ করাই কাজ নয়, সহিংসতার শিকার প্রতিটি নারীকে যথেষ্ট সহায়তা প্রদান করতে হবে। প্রতিটি মানুষকে নির্যাতন প্রতিরোধে করণীয় তথ্য জানাতে হবে। যারা মুখ খুলে কথা বলতে ভয় পায় তাদের সাহস দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
বক্তারা বলেন এখনই সময় এসেছে নারীদের জেগে উঠার। সমাজের রোষানল থেকে নারীদের নিজের ভূমিকায় যথেষ্ট। নিজেদের সাহস ও যোগ‍্যতা দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে সকল বাধা উপেক্ষা করে।

Attachments area
Alert! This website content is protected!