বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

পাইকগাছায় সাংবাদিক’র বাড়ির জায়গা দখল উচ্চ প্রাচীর দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল ভবন 

শাহরিয়ার কবির ব্যুরো চিফ খুলনা:- খুলনার পাইকগাছায় সাংবাদিক মহানন্দ অধিকারী মিন্টু’র পূর্বপুরুষের প্রায় ৭০ বছর পূর্বে ক্রয়কৃত বাড়ির জায়গা দখল করে উচ্চ প্রাচীর দিয়ে দখল করছে স্থানীয় প্রভাবশালী এক ভূমিদস্যু। উচ্চ প্রাচীর দিয়ে ভিতরে নির্মাণ করছে বহুতল ভবন। স্থানীয় ফাঁড়ি ইনচার্জ সঞ্জয় কুমার দাশ এর উপস্থিতে এ দখল প্রক্রিয়া চলে বলে স্থানীয়রা জানান। গোপণ তথ্যসূত্রে জানাযায়, এ ভূমিদস্যু এক মন্ত্রীর পরিচয় ও ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী ব্যবহার করছে।
দুর্ঘটনায় অসুস্থ এ সাংবাদিক ও তার পরিবারের লোকজন জানান, প্রায় ৭০বছর পূর্বে ক্রয়কৃত জায়গায় আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছি। এর মধ্যে কু-নজর পড়ে স্থানীয় মৃত সত্যেন্দ্রনাথ সাধুর পুত্র প্রভাবশালী অভিজিত সাধুর। গত ২৫নভেম্বর প্রায় ২৫ জন ভাড়াটিয়া অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নিয়ে আমাদের ক্রয়কৃত রেকর্ডীও ভোগদখলীয় বসত বাড়ীর জায়গা দাঙ্গা হাঙ্গমা ও ত্রাসসৃষ্টি করে জোর পূর্বক প্রায় ২২শতক জায়গা কাঁটাতারের বেড়া দেয়। ধ্বংস করে মূলবান ফলজ ও বনজ বৃক্ষাদি। এমনকি তত পরবতী কিছু দিন বন্ধ থেকে গত ২৩ ডিসেম্বর দুর্ঘটনায় আহত এ সাংবাদিক ও বৃদ্ধ পিতা-মাতাসহ পরিবারের ৮জনের নামে থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে উচ্চ প্রাচীর ও বহুতল ভবন নির্মাণ করছে। মামলা নং জিআর ৩৬৮/২০। সাংবাদিক পরিবার আরো জানান, বাঁধা প্রদান করিলে মারপিট ভয়ভীতি ও খুন করিয়া দিবে মর্মে হুমকি দিচ্ছে। জাতীয় হেলপ লাইন (৯৯৯) মাধ্যমে থানা পুলিশকে কে জানালে ঐ ভূমিদস্যুর কাজে বাঁধা না দেওয়ার জন্য এবং আটক করে নিয়ে যাবেন বলে শাশিয়ে যায় পুলিশ। গত ২৭ ডিসেম্বর পাইকগাছা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রট আদালত উভয়পক্ষের আইনজীবির উপস্থিতে জমি পরিমাপের জন্য মৌখীক আর্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু প্রভাবশালী অভিজিত জমি পরিমাপ করতে রাজি নয় বলে উল্টো দ্বীগুন শ্রমিক নিয়ে রাত দিন কাজ করছে। সরেজমিনে দেখাযায়, প্রায় ২০জন শ্রমিক দিয়ে উচ্চ প্রাচীর ও বহুতল ভবন নির্মাণে দ্রুত দখল প্রক্রিয়া চালাছে। কাগজ পত্রদৃষ্টে দেখাযায়, সাংবাদিক ঠাকুরমা মৃত ননীবালা অধিকারী ইং-২৬.১২.১৯৫৬ সালে ২৫৬৫নং রেজিষ্ট্রকৃত কবলা দলিল মূলে খরিদ করেন কুঞ্জু বিহারী সাধু নিকট হইতে। বিগত এসএ জরিপে প্রকৃত ভোগদখল দৃষ্টে ননীবালা খরিদকৃত সম্পত্তি কুঞ্জুবিহারী সাধু সহিত যথারীতি রেকর্ড প্রস্তুত হইয়া উক্ত খতিয়ান প্রকাশিত হয়। এসএ খতিয়ানে ১.৫৫একর সম্পত্তির মধ্যে ননীবালা অধিকারী ০.৩৩একর সম্পত্তিতে ভোগদখলকার থাকা কালে ৪(চার) পুত্র ওয়ারেশ রাখিয়া মৃত্যুবরণ করেন। সাংবাদিকের বসত বাড়ির কিয়দাংশ সহ তদবক্রী অংশে ফলজ, বনজ বৃক্ষাদী রোপণে ও আহরণে বাস্তব দখল দৃষ্টে জরীপ কর্মকর্তা উক্ত সম্পত্তি ডিপি ৪১৬নং খতিয়ানে যথারীতি তার বাবা-কাকাদের নামে ওয়ারেশ সূত্রে রেকর্ড প্রস্তুত করেন। উক্ত সম্পত্তি সন সন সরকারী কর খাজনাদি প্রদান করিয়া যথারীতি দাখিলা করিয়াছেন। এবং বর্তমানে চলমান বাংলা ১৪২৭সাল পর্যন্ত পরিশোধ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অভিজিত  সাধু নির্বাহী আদালতের (১৪৪) রায়ের কথা উল্লেখ করেন। এ অসহায় পরিবারটি অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ এবং এ প্রভাবশালী ভূমিদস্যুর হাত থেকে রক্ষা করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ উদ্ধর্তন কর্মকর্তার দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Alert! This website content is protected!