বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

পাইকগাছা কপিলমুনি  সাংবাদিক মিন্টুকে প্রকাশ্যে হুমকি

শাহরিয়ার কবির ব্যুরো চিফ খুলনাঃ-কে এ আজিম? খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় কপিলমুনি সাংবাদিক মিন্টুকে প্রকাশ্যে হুমকি, অস্ত্রের ভয় দেখানো, কুটুউক্তি সহ আস্ফালন করছে। হুমকার দিচ্ছে কেউ তাকে কিছু করতে পারবে না। বুধবার সাংবাদিকের বাড়ির পৈত্রিক জায়গা দখল করতে আসে ভূমিদস্যু অভিজিত ও তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী আজিম বাহিণী। এমন খবরে পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাহির থেকে ছুটে আসেন সাংবাদিক মিন্টু। বাড়ি জায়গা দখলের ছবি তুলতে গেলে ভূমিদস্যু অভিজিত ও আজিম অশ্লীল ভাষা এবং হুমকি দেয় এবং ক্যামেরা ফোন কেড়ে নিতে যায়। পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখল থেকে বাঁচতে সাংবাদিক পিতা বাদী হয়ে বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ১নভেম্বর নিষেধাজ্ঞার মামলা করেন, যার নং-২৮৫/২০। মামলায় আর্দেশ প্রাপ্ত হয়ে ভূমিদস্যু অভিজিতগং জবর দখল অব্যাহত রাখে। জবর দখল ও হুমকি অব্যাহত থাকায় ৭ নভেম্বর পাইকগাছা থানায় হাজির হয়ে সাধারণ ডায়েরী করেন সাংবাদিক চাচা, জিডি নং-৩৫০। প্রশাসন আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে শান্তি শৃংখা বজায় রাখার জন্য উভয়পক্ষকে নির্দেশ প্রদান করেন। অথচ সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাহিরে থাকায় অভিজিত ও ভাড়িাটিয়া সন্ত্রাসী আজিম মঙ্গলবার দফায় দফায় জবর দখল চালায়। এ প্রসঙ্গে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ এজাজ শফীকে অবগত করেন সাংবাদিক মিন্টু। বহিরাগত আজিম বাহিনী সম্পর্কে খোঁজ নিতে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক পরিবার। কাগজপত্র দৃষ্টে দেখাযায়, সাংবাদিক পিতামহ মৃত ননীবালা অধিকারী বিবাদী অভিজিত সাধু পূর্বাধিকারী কুঞ্জুবিহারী সাধুখাঁ নিকট হইতে ২৬.১২.১৯৫৬ সালে ২৫৬৫নং রেজিষ্ট্রকৃত কবলা দলিল মূলে খরিদ করেন। ননীবালা অধিকারী খরিদকৃত সম্পত্তিতে শান্তিপূর্ণ ভোগদখলে থাকা অবস্থায় বিগত এস, এ জরিপে প্রকৃত ভোগদখল দৃষ্টে ননীবালা খরিদকৃত সম্পত্তি কুঞ্জু বিহারী সাধুখাঁ সহিত যথারীতি রেকর্ড প্রস্তুত হইয়া উক্ত খতিয়ান প্রকাশিত হয়। এস, এ খতিয়ানে ১.৫৫একর সম্পত্তির মধ্যে ননীবালা অধিকারী ০.৩৩একর সম্পত্তিতে ভোগদখলকার থাকা কালে ৪(চার) পুত্র ওয়ারেশ রাখিয়া মৃত্যুবরণ করেন। বর্তমান চলমান জরিপে তফশীল বর্ণিত সম্পত্তি সাংবাদিক ৪জন বাবা-চাচা ভোগদখল দৃষ্টে জরীপ কর্মকর্তা উক্ত সম্পত্তি ডিপি ৪১৬নং খতিয়ানে যথারীতি রেকর্ড প্রস্তুত করেন। সাংবাদিক পরিবার সম্পত্তি সন সন সরকারী কর খাজনাদি প্রদান করিয়া যথারীতি দাখিলা গ্রহণ করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসিতেছেন। বর্তমানে চলমান বাংলা ১৪২৭ সাল পর্যন্ত খাজনাদি প্রদানে দাখিলা গ্রহণ করিয়াছে। কিন্তু উক্ত সম্পত্তিতে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগদখলকার থাকলেও অভিজিত সাধু গং প্রায় ৭০বছর পূবৈ ক্রয়কৃত রেকডীও ভোগদখলীয় সম্পত্তিতে দাঙ্গা হাঙ্গমা ও ত্রাসসৃষ্টি করে জোর পূর্বক প্রবেশ করার চেষ্ঠা করছে।

Alert! This website content is protected!