বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

পাইকগাছা পৌরসভা নির্বাচন শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে

ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনাঃ- 
 পাইকগাছা পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে জমজমাট লড়াই চলছে। তবে নিরুত্তাপ মেয়র পদ নিয়ে। পাইকগাছা পৌরসভায় আগামি ৩০ শে জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ও কমিউনিষ্ট পার্টি দুই মেয়র প্রার্থীসহ সব কাউন্সিলররা গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছে। ভোটারদের মন জয়ের জন্য ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এ প্রচারণা আর গণসংযোগ। মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর ও কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী এ্যাডঃ প্রশান্ত কুমার মন্ডল। নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা ও গণসংযোগে এগিয়ে রয়েছে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর। তার দলীয় কর্মীরা বিভিন্ন ভাবে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগসহ দলের সব সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের দেখা গেছে প্রচারণায়। অন্যদিকে কমিউনিস্ট পার্টির মেয়র প্রার্থীর পক্ষে লিফলেট বিতারণ ছাড়া তেমন কোন উল্লেখ যোগ্য প্রচারণা দেখা যায়নি কেবল বিকালের পর থেকে মাইকিং করে ভোট প্রার্থনা করা হচ্ছে । পৌর সভার একাধিক ভোটার জানান, আওয়ামীলীগের প্রার্থীর নির্বাচনে জয়লাভ সময় অপেক্ষা মাত্র। বিএনপির প্রার্থী না থাকায় মেয়র পদে নির্বাচন নিরুত্তাপ হয় পড়েছে। তবে কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী থাকায় নির্বাচনে প্রাণ রয়েছে। তবে কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্য নির্বাচন হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই হবে বলে ভোটাররা ধারনা করছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ কামালউদ্দীন আহমদ জানান, পাইকগাছা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে  দু’জন, ৩টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১২জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩২জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তবে তিনটি পদের জন্য মোট মনোনয়ন পত্র দাখিল করছিলেন ৪৯ জন। এর মধ্যে  সাধারণ কাউন্সিলর পদে এক জন মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাই কালে বাদ পড়েন, তবে আপিল করার সুযোগ থাকলেও তিনি আপিল করেননি। ১নং ওয়ার্ড সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বদ্বীতায় পাশ দখানো হয়েছে। তাছাড়া মেয়র পদে ৩জন মনোনয়ন পত্র জমা দিলেও পত্যাহারের শেষ দিন বিএনপির প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনি পত্যাহার করে নিয়েছেন। বর্তমান পৌর এলাকা প্রার্থীদের পোস্টারে সয়লাব। দুপুর দুইটার পর থেকে শুর হয় প্রার্থীদর মাইকিং। উপজেলা রির্টানিং অফিসার কামালউদ্দীন আহমদ জানান, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৩০শে জানুয়ারি, শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত একটানা পাইকগাছা পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোট প্রহণের জন্য প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার নিয়োগ ও তাদের প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছ। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রসহ সব কেন্দ্রে অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল টিম মোতায়ন করা হবে। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ এজাজ শফি জানিয়েছেন, পাইকগাছা পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশ বাহিনী সতর্ক অবস্থায় আছে। এ পর্যন্ত কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। তিনি আশা করেছেন নির্বাচন পরবর্তী সময় পর্যন্ত এ রকমই থাকবে।  পাইকগাছা পৌরসভার বর্তমান আয়তন ২ দশমিক ৫২ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা প্রায় ২১ হাজার। পৌরসভার ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত হালনাগাদকৃত মোট ভোটার সংখ্যা ১৪ হাজার ৪শত ৩১জন। এর মধ্য পুরুষ ৭ হাজার ৭ শত ৩ জন এবং নারী ৭ হাজার ৩ শত ৫৮ জন। নির্বাচনে ৯টি কেন্দ্র ও ৪৩ টি বুথ করা হয়েছে ভোট গ্রহনের জন্য।
Alert! This website content is protected!