বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

পাটগ্রামে জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির ঘটনায় জেল

লুৎফর রহমান,লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ-
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে বয়স্কভাতা কার্ডের জন্য জমাদানকৃত তালিকাভুক্ত ২২০ জন নারী-পুরুষের জাতীয় পরিচয়পত্র(এনআইডি)যাচাই বাছাই করে ২০৬ টি কার্ড টেম্পারিং করার ঘটনা ধরা পরেছে।
এ ঘটনার পর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামাল হোসেন নিজেই সমাজসেবা কর্মকর্তা রায়হানুল কবির বরাবর অভিযোগ করে তদন্তের দাবি জানান।এরপর গোপনে শুরু হয় তদন্ত।তদন্তে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে আসলেও পরে তিনি যেহেতু নিজে অভিযোগকারী এ কারনে যার হাতে কাজ সেই গেলেন ফেঁসে।অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় বঙ্গের বাড়ি বাসিন্দা তছের আলীর ছেলে সাবেদ আলীকে গতকাল রোববার এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক পাটগ্রাম ইউএনও এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার।
দহগ্রাম চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বলেন,দহগ্রাম ইউনিয়নে বসবাসকারী প্রবীণ নারী-পুরুষদের কাছ থেকে যাদের বয়স পুরুষ ৬৫ নারী ৬২ তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র এনআইডি কার্ডের ফটোকপি ও ছবি চেয়ে মাইকিং দেয়া হয়েছিল।
বাজারের কম্পিউটার দোকানদার সাবেদ আলী ও কতিপয় ইউপি সদস্য পরস্পর যোগসাজশে এমন জালিয়াতি কাজ করা হয়।
এদিকে, ইউপি সদস্যরা দাবি করেন চেয়ারম্যানের কাছের লোক দেলোয়ার ও সাবেদ এ কাজ করেছে বলে প্রশাসন মাঠ পর্যায়ে তদন্তে পায়।এসব কারনে ইউনিয়ন সচিব রবীন্দ্রকে জোংড়া ইউনিয়নে বদলি করে পাটগ্রাম ইউনিয়ন সচিব আনিসকে দহগ্রামে পোস্টিং দেয়া হয়েছে।দহগ্রামে যে পরিমাণ বয়স্কভাতার কার্ড পাওয়ার কথা সেই হিস্যা চলে গেছে পাটগ্রাম ইউনিয়নে।
দহগ্রাম ইউনিয়নের বঙ্গেরবাড়ি বাজারের এক কম্পিউটার দোকানদারকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দহগ্রাম থেকে অনেকে ফোন করে, ইনবক্সে এ প্রতিনিধিকে বলেন,বয়স্কভাতার কার্ড নিতে গ্রামের সহজ সরল লোকদের জন্ম তারিখ টেম্পারিং করে বয়স বাড়ানো হয়েছে এমন ৩৬ টি কার্ডের নমুনা মিলেছে দোকানদারের কাছে।এ ছাড়াও আরও কিছু আলামত মিলেছে। ওই কম্পিউটারের দোকানে কম্পিউটার সিপিউ জব্দসহ সাবেদ আলীকে শাস্তি দেয়া হয়েছে।পাটগ্রাম থানা পুলিশ সাবেদ আলীকে(২৭) জেল হাজতে পাঠিয়েছে।
এ সময় পাটগ্রাম থানা ওসি সুমন কুমার মহন্ত ও দহগ্রাম পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোজাম্মেল হকসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
কম্পিউটার দোকানদার সাবেদ আলী’র বাবা তছের আলীসহ অনেকে জানান,কম্পিউটার দোকানদারের কী অপরাধ বলেন? যারা এসব করালে তারা তো থাকলো ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। এ ব্যাপারে সকল কম্পিউটার দোকানদারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন পাটগ্রাম ইউএনও কামরুন নাহার।
Alert! This website content is protected!