বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

বান্দরবানে বৌদ্ধ ধর্মলম্বীদের সমাপ্তি হল দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব 

আকাশ মার্মা  মংসিং ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বান্দরবানে উদযাপিত হচ্ছে দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব। বান্দরবানে মারমা, চাকমা, বড়–য়াসহ বৌদ্ধধর্মাবলম্বীরা অশিণী পূর্ণিমার পর থেকে মাসব্যাপী এই কঠিন চীবর দানোৎসব পালন করে থাকেন।
বান্দরবান কেন্দ্রীয় রাজগুরু মহাবৌদ্ধ বিহারসহ বিভিন্ন বিহারগুলোতে শেষ দিনের মত দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপিত হচ্ছে।
সকালে বোমাং সার্কেলের রাজা উচপ্রু, পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, পৌর মেয়র ইসলাম বেবী, জেকা পরিষদে সদস্য লক্ষিপদ দাশসহ বান্দরবানে শহরে সকল বৌদ্ধ ধর্মলম্বী দায়ক-দায়মাধ্যমে বান্দরবান রাজগুরু বিহার হতে সারিবদ্ধ ভাবে খালি পায়ে হতে শুরু করে কলা পাড়া,উজানী পাড়া, মধ্যম পাড়া থেকে প্রদক্ষিনে সকল দায়ক-দায়মাধ্যমে ( নগদ অর্থ,চাউল,মোমবাতি,বিভিন্ন রকমারি ফল ও পূজা সামগ্রী)  পূন্যলাভের  জন্য দান করে পুজারীরা, পরে পুনরায় কেন্দ্রীয় রাজগুরু মহাবৌদ্ধ বিহারে এসে সমাবেত হয়।
এরপর পঞ্চশীল গ্রহণের মাধ্যমে ভিক্ষু সংঘের উদ্দেশ্যে চীবর দান করা হয়, দুপুরে ভিক্ষু সংঘকে ছোয়াই দান করা হয়।
বিকালে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা পুনরায় বিহারে সমবেত হয়ে মহা সংঘদান,অষ্টপরিস্কার দান, ধর্ম দেশনা শ্রবণ, হাজার প্রদীপ প্রজ্জলন এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করবেন চীবর দানোৎসবের রাজগুরু মহাথের।
আজ ৩০ নভেম্বর ভিক্ষু সংঘের মহাপিন্ড দান ও বিকালে ধর্ম দেশনার মাধ্যমে বান্দরবানে মাসব্যাপী বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের এই কঠিন চীবরদানের সমাপ্তি ঘটবে।
প্রসঙ্গত ,মহাকারণিক গৌতম বুদ্ধের আমলে মহাপূর্ণ্যবতী নারী বিশাখা দেবী প্রথম কঠিন ব্রত নিয়ে এই চীবর দান করেছিলেন, সে থেকেই প্রতিবছর নিয়মানুসারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা এই পূর্ণ্যানুষ্ঠান পালন করে আসছে।
Alert! This website content is protected!