বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে বানারীপাড়ায় বিক্ষোভ সমাবেশে দেহে এক বিন্দু রক্ত থাকতে বঙ্গবন্ধুর অবমাননা সহ্য করা হবেনা…এমপি শাহে আলম

রাহাদ সুমন:
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী পোয়েট অব-পলিটিক্স খোকা থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। যার জন্ম না হলে বাঙালী জাতি বীর বাঙালীর খেতাব পেতেন না। পেতো না স্বাধীন দেশ,লাল-সবুজ পতাকা ও স্বাধীন মানচিত্র। বাঙালী জাতির অবিসংবাদিত মহান এ নেতার কুষ্টিয়ায় ‘ভাস্কর্য’ ভাংচুর ও একই মৌলবাদী ধর্মান্ধ চক্র দ্বারা নির্মাণের প্রতিবাদ করায়, বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মো. শাহে আলমের নেতৃত্বে বানারীপাড়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ  অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় থেকে  বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ডাকবাংলোর মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য’র পাদদেশে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

 

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. শাহে আলম এমপি বলেন, শরীরে এক বিন্দু রক্ত ও প্রাণ থাকতে বঙ্গবন্ধুর অবমাননা সহ্য করা হবেনা। সোনার বাংলায় ধর্মান্ধ মৌলবাদী অপশক্তিরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিকদের চেয়ে কখনও শক্তিশালী হতে পারেনা। যা ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধসহ অপশক্তির বিরুদ্ধে  বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে প্রমানিত হয়েছে। তিনি হুশিয়ারী উচ্চারণ করে আরও বলেন,এখনও সময় আছে ধর্মীয় রাজনীতি ও কুসংস্কার বন্ধ করুন নইলে অবনতমস্তকে এদেশ ছেড়ে পাকিস্তানে চলে যাও। তা নাহলে আমরা রাজপথে নামলে পালাবার পথ পাবেনা। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লার সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও  বানারীপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ গোলাম ফারুক,পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক এ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হুদা প্রমূখ।

 

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক সৈয়দা তাসলিমা হোসেন ফ্লোরা,মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মল্লিক,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সহকারী কমান্ডার মীর শাহজাহান,উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও চাখার ইউপির চেয়ারম্যান খিজির সরদার, সহ-সভাপতি মাহমুদ হোসেন মাখন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল ঘরামী, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সলিয়াবাকপুর ইউপি চেয়ারম্যান  জিয়াউল হক মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান  মজিবুল ইসলাম টুকু, সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যান  শহিদুল ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সুব্রত লাল কুন্ডু, সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম,উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি ও চাখার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. মালেক হাওলাদার,উপজেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক ওয়াহেদুজ্জামান দুলাল,বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মাইনুল হাসান মহাম্মদ, সৈয়দকাঠি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মন্নান মৃধা,উদয়কাঠি ইউপি চেয়ারম্যান  রাহাদ আহম্মেদ ননী,বিশারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম শান্ত,সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাকির হোসেন,বানারীপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি রাহাদ সুমন,সহ-সভাপতি কে এম শফিকুল আলম জুয়েল,সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা,উপজেলা যুবলীগ নেতা মু মুনতাকিম লস্কর কায়েস,সুমম রায় সুমন, মশিউর রহমান সুমন ও দুলাল তালুকদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফোরকান আলী হাওলাদার, সহ-সভাপতি অপূর্ব দত্ত অপু,সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন দেবনাথ ও  সাগর আহম্মেদ সাজু, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রুহুল আমিন রাসেল মাল,সম্পাদক সজল চৌধুরী, ছাত্রলীগ নেতা সুমন সিদ্দিকী ও মনির হোসেন,উপজেলা  স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সিকদার,পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শফিক শাহিন,সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহম্মেদ শাওন প্রমুখ।

 

এছাড়াও  বিক্ষোভ  মিছিল ও সমাবেশে উপজেলার ৮ ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডারগণসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।

Alert! This website content is protected!