বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

মির্জাগঞ্জে বাতি বিহীন ব্রিজ

আব্দুল ওয়াদুদ, মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার শ্রীমন্ত নদীর উপর নির্মিত মরহুম হযরত ইয়ার উদ্দিন খলিফা (রহ) সেতু অবস্থিত। সেতুর উপর দুর্ঘটনা এড়াতে এবং চলাচলকারীদের সুবিধার্থে ১২টি লাইট পোস্ট স্থাপন করা হয়। এক যুগ ধরে সেই ১২ টি লাইট পোস্টে গুলোর সবকয়টি লাইট  বিকল হয়ে আছে । ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। সন্ধ্যা হলেই পুরো ব্রীজে ভুতুরে পরিবেশ বিরাজ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে কোন বৈদ্যুতিক আলো সরবরাহ না থাকায় সন্ধ্যার অন্ধকার নামার পরই মরহুম হযরত ইয়ার উদ্দিন খলিফা (রহ) সেতুর চলাচলকারি জনসাধারণকে আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করতে হয়। ফলে অন্ধকারের সুযোগে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। জরুরী ভিত্তিতে লাইট পোস্টগুলো মেরামত করা দরকার বলে মনেকরেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় গাড়ীচালক মোঃ শাহ-আলম জানান, সন্ধা হলেই ব্রীজটি ঘন অন্ধকারে পরিণত হয়ে যায় এবং আমাদের গাড়ী চলাচল ও দুই পাড়ের মানুষ পারাপারে বিভিন্ন ধরণের সমস্যায় পরতে হয়।
সরেজমিনে জানা যায়, সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬-শ, মিটার ৪টি পিলার ১২টি লাইটপোস্ট রয়েছে। মির্জাগঞ্জের বুক চিড়ে অবস্থিত এ ব্রীজ দিয়ে মির্জাগঞ্জ-সুবিদখালী-বেতাগি মহাসড়কের যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে।
দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও এখনো মরহুম হযরত উদ্দিন খলিফা (রাঃ) সেতুর ১২ টি বৈদ্যুতিক লাইট পুনরায় আলো জ্বালানোর জন্য নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ। এই ব্যাপারে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে রক্ষণাবেক্ষণের সংশ্লিষ্ট সকলেই উদাসীন।
বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত দর্শনার্থীদের পরিবার নিয়ে ঘোরা ফেরার জন্য সেতুটি মনোমুগ্ধকর। কিন্তু সেতুটি অন্ধকার থাকায় তারা নিরাপত্তা হুমকির মুখে পরতে পারে বলে মনেকরেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সরোয়ার হোসেন জানান, উর্ব্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ল্যাম্প পোষ্টের লাইটগুলো সচলের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Alert! This website content is protected!