বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে ৩০টির বেশি দেশ

নতুন ভাবনা ডেস্কঃ-

দ্বিতীয় দফার সংক্রমণের মধ্যেই যুক্তরাজ্যে দেখা দিয়েছে করোনাভাইরাসের নতুন রূপ। এতে পর্যুদস্ত অবস্থা দেশটির। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে একের পর এক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো। মূলত নভেল করোনাভাইরাসের আরো সংক্রামক ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা রূপ সামনে আসার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩০টির বেশি দেশ যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। খবর বিবিসি ও ব্লুমবার্গ।

জানা গেছে, ভাইরাসের নতুন একটি বিবর্তিত রূপ লন্ডন ও দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে ফ্লাইট স্থগিত করেছে আয়ারল্যান্ড, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম। তবে প্রত্যেকে ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থা অবলম্বন করছে এবং প্রাথমিকভাবে স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তবে ফরাসি নিয়মে প্রভাবিত হয়েছে পণ্যবাহী চ্যানেলও। এদিকে সমন্বিতভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোর উদ্দেশ্যে ইইউ সোমবার সকালে বৈঠকও করেছে।

এর আগে শনিবার প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সেই এলাকাগুলোয় চার স্তরের নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। পাশাপাশি লাখো মানুষের জন্য ক্রিসমাসে বিধিনিষেধ শিথিল করার সিদ্ধান্ত বাতিলের পরিকল্পনাও চলছে।

শীর্ষ পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, এমন কোনো প্রমাণ নেই যে নতুন রূপ আরো বেশি মরণঘাতী কিংবা ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে ভিন্নভাবে কাজ করছে। কিন্তু এটা প্রমাণিত যে এটি ৭০ শতাংশ অধিক সংক্রমণযোগ্য।

শনিবার যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে ঘোষণা আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নেদারল্যান্ডস জানায়, তারা ১ জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাজ্য থেকে ছাড়তে যাওয়া সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে। এরপর রোববার তারা জানায়, তারা ফেরি যাত্রীদের যুক্তরাজ্য থেকে আসার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যদিও পণ্যবাহী যানবাহন আসা অব্যাহত থাকবে।

রোববার যুক্তরাজ্যের ওপর নতুন করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে গুরুত্বপূর্ণ আরো কিছু ইউরোপীয় দেশ। ফ্রান্স রোববার মধ্যরাত থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য ভ্রমণসংক্রান্ত সব যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকি তারা পণ্যবাহী লরিগুলোর যাতায়াতও বন্ধ করে দিয়েছে। প্রতিদিন হাজারো লরি দুটি দেশে আসা-যাওয়া করে।

ফ্রান্সের আরোপ করা বিধিনিষেধের কারণে ডোবারের ফেরি টার্মিনাল পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্য ছেড়ে যাওয়া সব যানবাহনের জন্য বন্ধ থাকবে। পণ্যবাহী যানবাহনের বিষয়টি এত বেশি চাপ তৈরি করেছে যে জনসনকে গতকাল জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক ডাকতে হয়েছে। বছরের এ সময়ে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ব্যাপক যোগাযোগ হয়ে থাকে। কিন্তু আইরিশ সরকার ইংল্যান্ড, ওয়েলস ও স্কটল্যান্ড থেকে আসা সব ফ্লাইট ৪৮ ঘণ্টার জন্য স্থগিত করেছে।

একইভাবে জার্মানির পক্ষ থেকেও এসেছে ফ্লাইট স্থগিত রাখার ঘোষণা। তারা জানিয়েছে, রোববার মধ্যরাতের পর যুক্তরাজ্যের কোনো বিমান জার্মানিতে আসতে পারবে না। তবে কার্গোর ব্যাপারে ছাড় দিয়েছে তারা। বেলজিয়াম. ইতালি, অস্ট্রিয়া, বুলগেরিয়া ও তুরস্কও যুক্তরাজ্যের সব ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।

Alert! This website content is protected!