বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

লালপুরে ঘনকুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

মো. আশিকুর রহমান টুটুল, নাটোর প্রতিনিধিঃ-
লালপুরে দাপট বেড়েছে শীতের। মাঘের শুরুতে হারকাপানো শীত ও ঘনকুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এই অঞ্চলের মানুষের জনজীবন। বিপাকে পড়েছে দিনমুজুর ও ছিন্নমুল মানুষেরা। সব চেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা।
মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত ঘণকুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিলো চারিপাশ। ঘনকুয়াশার করনে রাস্তা গুলি ছিলো ফাঁকা। দুই একটা যানবাহন চললেও ধীর গতিতে হেডলাইট চালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। তীব্র শীতের কারনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শীত নিবারনের জন্য অনেক কে আগুন জ্বালাতে দেখা দেছে। গত কয়েকদিন যাবত এই উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ সঙ্গে হিম বাতাস। দুুপুরের দিকে সুর্যের দেখা মিললেও কমছেনা শীতের তীব্রতা। তীব্র শীতের কারনে হাসপাতাল গুলিতে বেড়েছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
কথা হয় সোহান আলী নামের এক জনের সঙ্গে সে বলে,‘কুয়াশা ও প্রচন্ড শীতের কারনে ঘরের বাহিরে বরে হওয়া যাচ্ছেনা।’
দুলাল আলী নামের এক অটোচালক বলেন,‘প্রচন্ড শীত ও কুয়াশা। সকালে এসে বসে আছি রাস্তায় যাত্রী নেই।’
আবাহাওয়া অধিদপ্তর বলছে,‘এই অবস্থা আরো কয়েক দিন অব্যহাত থাকবে।’
লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মুল বানীন দ্যুতি বলেন,‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার শীতার্ত মানুষের জন্য প্রথম পর্যায়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের ২হাজার ৫শ পিচ কম্বল বিতরণ শুরু হয়েছে।’

Alert! This website content is protected!