বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

লালপুরে মিলের রাস্তা ধুলোয় ধূসর

মো. আশিকুর রহমান টুটুল, নাটোর প্রতিনিধিঃ-
এ দিকে ভাঙা,ও দিকে ভাঙা! যে দিক দিয়েই গাড়ি যাক হেলতে দুলতে গাড়ির চাকা গড়াচ্ছে। এই অবস্থা লালপুরের গোপালপুর রেলগেট-আব্দুলপুরে রাস্তা। তবে উপজেলার মিলরোড নামে পরিচিত এই রাস্তাটি। শুধু রাস্তা ভাঙা তাই নয়, ধুলোয় রাস্তার অবস্থাই এখন শোচনীয়। আর নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের আখ মাড়াই শুরু হওয়ায় পর থেকে তার অবস্থা হয়ে উঠেছে আরো ভয়াবহ। মাত্র দেড় কিলোমিটার রাস্তার জন্য জনদুর্ভোগ এখন চরমে উঠেছে।
স্থানীয়রা জানায়, ‘সারা বছর নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের ভারী যানবাহন সহ প্রতিদিন প্রায় ৫শতাধিক যানবাহন এই রাস্তায় চলাচল করে। বিশেষ করে আখ মাড়াই মৌসুমে আখ বোঝাই গরু-মহিষের গাড়ি, ট্রাক ও পাওয়ার ট্রলি চলাচল করায় রাস্তার সংস্কারের পরও কয়েক মাসের মধ্যেই রাস্তা আগের চেহারায় ফিরে যায়। ফলে দুর্ভোগের বোঝা সারা বছরই পোহাতে এই এলাকার মানুষের।’
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গোপালপুর রেলগেট থেকে আব্দুলপুর অভিমুখী রাস্তায় কালামের মোড় নামক জায়গা পর্যন্ত প্রায় দেড় কি.মি রাস্তাটি একেবারেই ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে রয়েছে। রাস্তাটিতে সাময়িক সংস্কারে জন্য বড় বড় গর্তে ইটের টুকরা ফেললেও তা কোন কাজে দিচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ধুলোবালিতে নাকাল হচ্ছেন ওই রাস্তার উপর দিয়ে দিনভর চলাচলকারী হাজারো মানুষজন। রাস্তার দুপাশের ছোট বড় গাছগুলো ধুলোর পরিস্থিতি জানান দিচ্ছে।
এসময় পথচারী আশিক মাহামুদ, শরিফুল ইসলাম, দোকানী আব্দুর রাজ্জাক জানান,‘রাস্তায় বের হলে গোটা শরীর ধুলোয় ভরে যাচ্ছে। চোখ-মুখ খুলে যাবার উপায় নেই। তার সাথে ঝাঁকুনি তো আছেই। সারা বছরই রাস্তার এই হাল। খুবই সমস্যায় আছি আমরা।’
ভ্যান চালক মোজাম্মেল আলী জানান,‘এই রাস্তাদিয়ে চলাচল করাই যাই না। তার পরেও জিবীকার তাগিদেই এই রাস্তদিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। নতুন পুরাতন নয় রাস্তদিয়ে গাড়ি চালালেই নষ্ট হয়ে যায়।’
লালপুর উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন জানান,‘গত ৭ বছর আগে রাস্তটি পূর্ণ সংষ্কার করা হয়েছিলো । তবে রাস্তাদিয়ে মিলের আখ বোঝাই গরুর গাড়ি ও পাওয়ার ট্রলি চলাচল করায় রাস্তটি টিকানো যাচ্ছেনা। এই রাস্তাটি আরসিসি রোড করলে বেশি টেকশই হবে। তবে আগামী অর্থ বছরে এই রাস্তটি সংষ্কার করা হবে বলেও জানান তিনি।’
এই এলাকার মানুষের দুর্ভোগের কথা মাথায় রেখে সংশ্লিষ্টদের নিকট দ্রুত রাস্তটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Alert! This website content is protected!