বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

শিবগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পে হাসি ফুটেছে ১৮০ পরিবারের মানুষের মাঝে !

উৎপল মোহন্ত,বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার শিবগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৮০ ঘড় পেয়েছে উপজেলার হত দরিদ্র পরিবার। শনিবার এসব উপকার ভোগীদের মাঝে ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘর ও জমি পেয়ে হাসি ফুটেছে ১৮০ টি দরিদ্র পরিবারের মুখে।
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে তৈরি করে দেওয়া হয়েছে দুইটি বেডরুম,১ টি টয়লেট ও ১ টি রান্না ঘর। মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলো এখন আনন্দে আত্মহারা।
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্বামী আইজারকে নিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করেন উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের কূপা নন্দিপুর গ্রামের ফেমেলি বেগম(৩৬)। পাগল স্বামীকে নিয়ে দরিদ্র বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে থাকতেন তিনি। এখন প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর পেয়ে খুব খুশি ফেমিলি বেগম বললেন, হামরা কল্পনাও করিনি কখনো পাকা বাড়ি ঘরে থাকপার পামো!
সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেয়েছেন উপজেলার কূপা নন্দিপুর গ্রামের মিস্টার আলী (২০)। দিমজুরের কাজ করে কোন রকম পেটের ভাত যোগাতে পারলেও মাথা গোজার জন্য তিল পরিমান যায়গা ছিল না তার, সরকারের আশ্রয়ন প্রকল্পের উপকার ভোগীদের তালিকায় তার ঠাঁই হওয়ায় আনন্দে আত্মহারা সে। একই এলাকার আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর পাওয়া বৃদ্ধ জয়নাল (৭০) মিয়া জানান, হামার থাকপার মতো কোন জমিজমা নাই, ইটের বাড়িত ছোলপোল নিয়ে থাকপার পারমো এটা হামার কাছে স্বপ্নের মতো।
শনিবার এসব উপকার ভোগীদের ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ রিজু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবির, সহকারি কমিশনার(ভুমি) মৌলি মন্ডল, ওসি এসএম বদিউজ্জামান, স্থানীয় চেয়াম্যান এস এম রুপম।
শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবির বলেন, শিবগঞ্জে ১৮০ টি পরিবারকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘর দেওয়া হয়েছে। প্রতি পরিবারের জন্য ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা নির্মান ব্যয় ধরে  দুটি বেডরুম,একটি রান্না ঘর ও একটি টয়লেট নির্মান করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, উপকার ভোগীদের নামে ২ শতক করে জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়া হবে। যার ফলে তারা ঘর ও জমির স্থায়ী মালিকানা পাবেন।
Alert! This website content is protected!