বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মোবাইল চুরির অপবাদে মাদ্রাসার ছাত্রকে পিটিয়ে জখম

মোঃ আজাদুল ইসলাম,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চড়িয়া শিকার দক্ষিন পাড়া কওমি মাদ্রাসার ছাত্র মেরাজুল ইসলাম (৯) কে মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে বেধরক পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোরন সৃষ্টি হয়েছে । সলঙ্গা থানা পুলিশ মাদ্রাসার মোহতামিম এরশাদকে রবিবার বিকালে আটক করেছে ।
আহত মাদ্রাসা ছাত্র মেরাজুল ইসলাম সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চড়িয়া শিকার দক্ষিন পাড়া কওমি মাদ্রাসার ও থানার লাঙ্গলমোড়া গ্রামের হামিদুল ইসলামের ছেলে।
জানা যায়, শনিবার বেলা ১২ টার দিকে সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চড়িয়া শিকার দক্ষিন পাড়া কওমি মাদ্রাসার মোহতামিম এরশাদ তার কক্ষে মোবাইল ফোন রেখে গোসল করতে যায় । ফিরে এসে মোবাইল ফোন না পেয়ে মাদ্রাসার ছাত্র মোঃ মেরাজুল ইসলাম কে সন্দেহ করে। পরে ঘরে আটকে রেখে বাঁশের কুনচি দিয়ে হাত পা ও পিঠে বেধর মারপিট করে জখম করে ।
এঘটনার খবর পেয়ে তার আত্নীয় স্বজন মাদ্রসায় এসে মুমর্ষ অবস্থায় মিরাজকে উদ্ধার করে স্থানীয় সাখাওয়াত এইচ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করে ।
আহত মাদ্রাসার ছাত্রের মা সোনালি খাতুন বলেন, মাদ্রাসার মোহতামিম এরশাদ আলী তার কক্ষে মোবাইল ফোন রেখে গোসল করতে যায় । ফিরে এসে মোবাইল না পেয়ে আমার শিশু সন্তান মেরাজুল ইসলাম কে সন্ধেহ করে। পরে ঘরে আটকে রেখে বাঁশের কুনচি দিয়ে হাত পা ও পিঠে বেধর মারপিট করে জখম করে । কিন্তু আমার ছেলের কাছে মোবাইল ফোন পায়নি। অযথা আমার শিশু সন্তানকে মারপিট করেছে। তিনি মাদ্রাসার এই শিক্ষকের শাস্তি দাবি করেনন।
সলঙ্গা থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী জানান , খবর পেয়ে ঘটনারস্থল থেকে শিশু নির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষকে আটক করা হয়েছে ,তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
Alert! This website content is protected!