বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

সিরাজগন্জের নবনির্বাচিত কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় অতিরিক্ত ডিআইজির ঘটনাস্থল পরিদর্শন

মোঃ আজাদুল ইসলাম,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি এটিএম মোজাহিদুল ইসলাম বিপিএম, পিপিএম বলেছেন, সিরাজগঞ্জে পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নবনির্বাচিত পৌর কাউন্সিলর তরিকুল ইসলাম খানের (৪৫) হত্যাকান্ডে প্রকৃত জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। এক্ষেত্রে কোন তদবির ও আপোষ বরদাস্ত করা হবে না। পুলিশের একটি চৌকস দল ইতিমধ্যেই মাঠে নেমেছে।
রোববার (১৭ জানুয়ারী) দুপুরের দিকে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার শহীদগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক স্কুল ভোট কেন্দ্র চত্বর এলাকায় পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসীরা যে কোন দলের হউক তাদেরকে কোন ছাড় দেয়া হবে না। ২/১ দিনের মধ্যেই তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। এরপর অতিরিক্ত ডিআইজি নিহতের বাসা পৌর এলাকার নতুন ভাঙ্গাবাড়ি মহল্লায় যান এবং নিহত কাউন্সিলরের লাশ দেখেন। তিনি শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। এ সময় ওই মহল্লায় এক হৃদয় বিদায়ক দৃশ্যর অবতরণ ঘটে। সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, নব নির্বাচিত কাউন্সিলর নিহতের ঘটনায় পুলিশের ডিআইজির নির্দেশে তিনি রোববার সকালে সিরাজগঞ্জে আসেন এবং ওই হত্যাকান্ডে প্রকৃত জড়িতদের গ্রেফতারসহ বিভিন্ন  দিক নির্দেশনা দেন। তবে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এ সময় পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম বিপিএম,  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরাফত ইসলাম, নব নির্বাচিত পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তাসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, শনিবার (১৬ জানুয়ারী) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ওই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী তরিকুল ইসলাম (ডালিম প্রতিক) বেসরকারিভাবে বিজয় হয়েছেন। এ সংবাদে তার সমর্থকরা সন্ধ্যা রাতে ওই মহল্লায় একটি মিছিল বের করে। এ সময় পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকরা ওই মিছিলে হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায় এবং তরিকুলকে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করা হয়। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রোববার (১৭ জানুয়ারী) দুপুরে শহীদগঞ্জ এলাকার প্রায় ২০টি ঘরবাড়ি, দোকানপাট, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মাইক্রোবাস ভাংচুর অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পুলিশি সহায়তায়  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আবারো রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকায় সেখানে দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে বিকেলে নব নির্বাচিত কাউন্সিলরের লাশ জানাযা শেষে পৌর এলাকার রহমতগঞ্জ কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। তার জানাযায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশগ্রহণ করেন।
Alert! This website content is protected!