বি.দ্রঃদৈনিক নতুন ভাবনাপত্রিকায় প্রকাশিত সকল লেখার দায়ভার সম্পূর্ন লেখকের/প্রতিনিধির।আমরা লেখক প্রতিনিধির চিন্তা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকাশিত লেখার সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল সবসময় নাও থাকতে পারে।তাই যে কোনো লেখার জন্য অত্র পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

তাজা খবর

১৮টি শর্ত মানলে হোটেল নির্মান হবে না মানলে হবে নাহ :  ক্য শৈ হ্লা

আকাশ মার্মা মংসিং বান্দরবানঃ
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়াম্যান ক্যশৈহ্লা জানিয়েছেন, চিম্বুক ভ্যালির নাইতং পাহাড় এলাকায় কোন ম্রো জনবসতি আগেও ছিল না, এখনও নেই। ওই জমিতে পর্যটন হোটেল নির্মিত হলে পরোক্ষভাবে ৪টি এবং প্রত্যক্ষভাবে ৭০-১১৬ টি ম্রো গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হবার কথা পুরোপুরি সঠিক নয় ।
বান্দরবান জেলা পরিষদ মিলানায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করার সময় এ কথা বলেন ।
এ সময় চেয়ারম্যান আরো বলেন, পাহাড় কর্তন না করা, পরিবেশের ক্ষতি না হয় এমন কোন কার্যক্রম গ্রহণ না করা, জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয় অধিবাসীদের অগ্রাধিকার দেয়া সহ মোট ১৮টি শর্ত জুড়ে দিয়ে ৪০ বছরের জন্য সেনাবাহিনীকে জমিটি লীজ দেয়া হয় ।
সম্পাদিত চুক্তি পালনের মাধ্যমে ২০ একর জমিতে সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে স্থানীয় অধিবাসীদের জীবন যাপন ক্ষুন্ন না করে পর্যটন সেবা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা যেতে পারে সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানিয়েছেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা।
স্থানীয় অধিবাসীদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ জেলার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা ।
উল্লেখ্য, সিকদার গ্রুপ ও সেনা কল্যাণ ট্রাস্টকে নিয়ে কাপ্রুপাড়া থেকে নাইতং পাহাড় হয়ে জীবননগর পর্যন্ত স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে । এরই প্রেক্ষিতে ৭ অক্টোবর চিম্বুক পাহাড়ের ওপর পাঁচ তারা হোটেলসহ বিলাসবহুল পর্যটনের স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের দাবি জানায় কাপ্রুপাড়া, দোলাপাড়া ও এরাপাড়াবাসীরা ।
Alert! This website content is protected!